নামখানা ও কুলতলিতে হরিণের চামড়া এবং ৯ টি তক্ষক সহ গ্রেফতার ৫।

0
234

সুভাষ চন্দ্র দাশ,ক্যানিং – শুক্রবার ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতে ডিএফও মিলনকান্তি মন্ডল,এডিএফও অনুরাগ চৌধূরী নেতৃত্বে ১৮ জনের বনদফতরের টিম ক্রেতা সেজে ৪ টি হরিণের চামড়া সহ গ্রেফতার করল ১ জনকে।পাশাপাশি বনদফতরের স্পেশাল টিম ক্রেতা সেজে ৯ টি তক্ষক সহ গ্রেফতার করল ৪ জনকে।পৃথক দুটি ঘটনা ঘটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানা থানার উকিলের হাটের সীমাবাঁধ পেট্রল পাম্প এবং কুলতলি থানার মানিকপীঠ এলাকায়।বন দফতর সূত্রের খবর নামখানার দ্বারিকনগর এলাকার বাসিন্দা মনোরঞ্জন জানা সহ আরও এক জন এদিন ভোরে আলো ফুটতে না ফুটতে একটি ব্যাগে করে হরিণের চামড়া নিয়ে যাচ্ছিল চোরা পথে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে।সেই সময় বন দফতরের স্পেশাল টিম ক্রেতা সেজে নামখানার সীমাবাঁধ পেট্রল পাম্প এলাকা ঘিরে ফেলে। এবং হাতে নাতে ধরেও ফেলে চোরা শিকারি মনোরঞ্জন জানাকে।অপর একজন চোরা শিকারি আগে থেকে ভাব বুঝতে পেরে চম্পট দেয়।ধৃতের কাছ থেকে বন দফতরের স্পেশাল টিম ৪ টি হরিণের চামড়া উদ্ধার করে।ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।এই ঘটনার সঙ্গে কোন আন্তর্জাতিক চক্র জড়িত রয়েছে কিনা।এমনকি যে চোরা শিকারি পালিয়েছে তার খোঁজে চলছে চিরুনি তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে বনদফতর।শুক্রবার দুপুরে ধৃত মনোরঞ্জন জানা কে কাকদ্বীপ কোর্টে তোলে বন দফতরের স্পেশাল টিম।অন্যদিকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বন দফতরের ১৮ জনের স্পেশাল টিম ক্রেতা সেজে কুলতলির মানিকপীঠ থেকে ৯ টি তক্ষক সহ হাতে নাতে ধরে ফেরে ৪ জনকে।ধৃত অমিত সাঁফুই, কৃষ্ণপদ মন্ডল,পরিতোষ নস্কর,অর্ধেন্দু বৈদ্যের বাড়ি কুলতলি এলাকায়।ধৃত ৪ জনের কাছ থেকে ৯ টি তক্ষক উদ্ধার করে বন দফতরের স্পেশাল টিম।এদিকে বন দফতরের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে তক্ষক গুলি চোরা পথে বাংলাদেশ থেকে আনা হয়েছিল বিক্রি করার উদ্দেশ্যে।তবে তক্ষক গুলি বাংলাদেশ থেকে আনা হয়েছে কিনা এবং অন্য কোথা থেকে আনা হয়েছে সে বিষয়ে খতিয়ে দেখছে বন দফতর।বন দফতরের ডিএফও মিলনকান্তি মন্ডল এবং এডিএফও অনুরাগ চৌধূরী জানিয়েছেন ১৫ দিন ধরে পাচারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছিল ক্রেতার পরিচয় দিয়ে।এরপর বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কুলতলী মানিকপীঠ এলাকা থেকে বন দফতরের স্পেশাল টিম ক্রেতা সেজে ৯ টি তক্ষক সহ ৪ জনকে এবং ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতে নামখানার সীমাবাঁধ পেট্রল পাম্প এলাকা থেকে ৪ টি হরিণের চামড়া সহ ১ জনকে গ্রেফতার করা হয়।শুক্রবার ধৃতদের কাকদ্বীপ ও বারুইপুর কোর্টে তোলা হয়।তবে এই ঘটনার সাথে আর কারা কারা যুক্ত আছে সে বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এদিকে এই ঘটনায় বন দফতর বড়সড় সাফল্যের মুখ দেখলো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here