শালবনির ঐতিহাসিক কর্ণগড় ঘুরে দেখলেন জেলাশাসক ও প্রশাসনের আধিকারিকেরা।

0
1727

নিজস্ব সংবাদদাতা, পশ্চিম মেদিনীপুরঃ-পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনী ব্লকের ঐতিহাসিক স্থান কর্ণগড় । একদিকে মা মহামায়ার ঐতিহ্যপূর্ণ মন্দির , অন্যদিকে ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠা চুয়াড় বিদ্রোহের নেত্রী রানী শিরোমনির ঐতিহাসিক গড়ের ধ্বংসাবশেষ । শালবনি পঞ্চায়েত সমিতি ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই স্থানকে সাজিয়ে ( ইতিমধ্যে রাস্তাও ও পারং খালের উপর ব্রিজ নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে , নির্মিত হয়েছে ক্যাফেটেরিয়া , কটেজ , জল আলোর ব্যবস্থা ,) পর্যটন কেন্দ্র রূপে গড়ে তোলা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার এই গড় পরিদর্শনে গেলেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার জেলাশাসক ডাঃ রেশমি কোমল, বিধায়িকা জুন মালিয়া , পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ নেপাল সিংহ ,শালবনি
পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মিনু কোয়ারি , সহ-সভাপতি বুলবুল হাজরা , বিডিও প্রণয় দাস ,পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ সন্দীপ সিংহ , নিবেদিতা ব্যানার্জি , সহ পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির আধীকারিকগণ। ঐতিহাসিক কর্ণগড় ঘুরে দেখেন জেলাশাসক রেশমি কোমল। সেইসঙ্গে কর্ণগড় এর মা মহামায়ার মন্দির ও তিনি ঘুরে দেখেন। আগামী দিনে কর্ণগড় একটি উন্নতমানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে বলে তিনি আশা করেন। সেই সঙ্গে তিনি বলেন যেসব উন্নয়নমূলক কাজ বাকি রয়েছে তা আগামী দিনে দ্রুত সম্পন্ন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রতিদিন বহু মানুষ কর্ণগড় মা মহামায়ার মায়ের মন্দিরে আসেন পুজো দিতে। করোনা পরিস্থিতির জন্য এখন কিছু মানুষ কম আসেন। কর্ণগড় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠলে আগামী দিনে বহু মানুষ কর্ণগড় এর ঐতিহাসিক স্থানে বেড়াতে আসবেন বলে আশা প্রকাশ করেন মেদিনীপুর এর বিধায়ক জুন মালিয়া।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here