ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের দাবি তুলে জেলাশাসক ও রাজ্য সরকারের নিকট দ্বারস্থ হল মালদা জেলা রেগুলেটেড মার্কেট মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতি।

0
166

নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদা: প্রায় পাঁচ বছর হতে চলল‌, কেউ ব্যাংক থেকে চড়া হারে সুদ নিয়ে, আবার কেউ মা,বোন স্ত্রীর গহনা বন্ধক রেখে মালদা জেলা রেগুলেটেড মার্কেটে মৎস্য ব্যাবসার সেঠ সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে কিনেছিলেন। কিন্তু কিছু প্রশাসনিক জটিলতায় এখনো সেই মার্কেট চালু করা সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ। তাই এবারে সেই মার্কেট দ্রুত চালু, মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের দুই পদস্থ কর্মকর্তা জয়ন্ত কুন্ডু এবং উত্তম বসাকের অবিলম্বে পদত্যাগ এবং আরএমসি মার্কেটের এক ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের দাবি তুলে জেলাশাসক ও রাজ্য সরকারের নিকট দ্বারস্থ হল মালদা জেলা রেগুলেটেড মার্কেট মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতি। এই নিয়ে ইতিমধ্যে মৎস্য ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে জেলাশাসক কে বিষয়টি লিখিত আকারে জানানো হয়েছে। সংগঠনের পক্ষে যুগ্ন-সম্পাদক কমল ঘোষ অভিযোগ করেন, দীর্ঘ কয়েক বছর হতে চলল অথচ মৎস্য মার্কেট এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি। এর পেছনে মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের দুই কর্তার গভীর চক্রান্ত রয়েছে বলে অভিযোগ। সম্প্রতি মৎস্য মার্কেট চালু সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মালদা জেলা প্রশাসনিক ভবনে একটি মিটিং হয়। কিন্তু সেই মিটিং-এ ভুল তথ্য পরিবেশন করেন মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের সম্পাদক জয়ন্ত কুন্ডু বলে অভিযোগ। তিনি মৎস্য মার্কেটের সেঠে রপ্তানিকারকরা বালি পাথর গোডাউন জাত করে রাখে,এই মিথ্যা অভিযোগ তুলেন। আর যার কারণে আবারো মৎস্য মার্কেট চালু নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। উক্ত পদস্থ ওই ইঞ্জিনিয়ার মৌখিকভাবে আরএমসি কর্তৃপক্ষের লিখিত নির্দেশিকা ব্যতিরেখে মৎস্য মার্কেটেরের ভাড়া নেওয়াও বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ। তার পাশাপাশি সংগঠনের পক্ষে কমল ঘোষ আরো অভিযোগ করেন মৎস্য মার্কেট চালু নিয়ে আরএমসি মার্কেটের এক ইঞ্জিনিয়ার মৎস্য মার্কেটের দুর্নীতির সাথে যুক্ত। তাই তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত এবং মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের সম্পাদক জয়ন্ত কুন্ডু ও যুগ্ম সম্পাদক উত্তম বসাকের পদত্যাগের দাবিতে জেলা শাসকের দ্বারস্থ হয়েছেন। প্রকাশ থাকে যে জয়ন্ত কুন্ডু এবং উত্তম বসাক দুজনেই ডিস্ট্রিবিউটর ব্যবসার সাথে যুক্ত। সংগঠনের পক্ষ থেকে এও বলা হয় পশ্চিমবঙ্গের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী বেকার সমস্যা দূরীকরণে উদ্যোগ নিচ্ছেন এবং একাধিক প্রকল্পেরও উদ্বোধন করছেন। অথচ তাদের মত বেকার যুবকরা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে মৎস্য মার্কেটের সেঠ ক্রয় করেছেন অথচ এখনো সেই মার্কেট চালু করা হচ্ছে না। তবে এই ব্যাপারে মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের সম্পাদক বিষয়টি সযত্নে এড়িয়ে যান এবং তিনি মৌখিকভাবে জানান যা বলার এই বিষয়ে জেলা সমাহত বলবেন। অন্যদিকে এই বিষয়ে আরএমসি মার্কেটের ওই ইঞ্জিনিয়ার কে ফোনে ধরা হলে তিনি জানান এই বিষয়ে তার কিছু বলার নেই যা বলার আরএমসি সেক্রেটারি বলবেন।
বিষয়টি নিয়ে আর এম সি সেক্রেটারি অনুপম মৈত্রকে ফোনে ধরা হলে তিনি বলেন বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিবেচনা করবেন তার কোন মন্তব্য নেই এই বিষয়ে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here