সংস্কারের অভাবে মালদহের চাঁচল- হাজাতপুর ভায়া অরবরা হয়ে জগন্নাথপুর যাওয়ার অধিকাংশ গ্রামীণ সড়ক বেহাল।

0
134

নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদাঃ- সংস্কারের অভাবে মালদহের চাঁচল- হাজাতপুর ভায়া অরবরা হয়ে জগন্নাথপুর যাওয়ার অধিকাংশ গ্রামীণ সড়ক বেহাল। রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী লোকজন ও যানবাহন চালকেরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে নিত‍্যদিন।এলাকাবাসীর অভিযোগ,এক দশক আগে পিচের রাস্তা করা হলেও তারপর আর পুনঃ সংস্কার হয়নি।চাঁচল হাটখোলা থেকে হাজাতপুর ভায়া হয়ে অরবরা ও জগন্নাথপুর পযর্ন্ত প্রায় ২০ কিমি অধিকাংশ গ্রামীণ সড়ক বেহাল।কোথাও কোথাও পিচের চাদর উঠে গিয়ে বড় গর্তে পরিণত হয়েছে।রাস্তা ভেঙে পাথর জড়ো হয়ে আছে।
এলাকা ঘুরে দেখা যায়,থাহাঘাটি গ্রাম ও বালিডাঙা গ্রামের প্রবেশ পথে পিচের চাদর উঠে বড় গর্ত হয়ে আছে।বর্ষাকালে সেখানে জল জমে থাকে।তখন ডোবার দৃশ‍্য ধারন করে।যদিও শীতকালে ডাঙা হলেও পাথর জড়ো হয়ে আছে সেখানে।তাতেও চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে পথচারী থেকে শুরু করে যানবাহন চালককে।নদীসিক গ্রামের লায়ন আলি জানালেন,চাঁচল-১ নং ব্লকের কলিগ্রাম,অলিহোন্ডা,মকদমপুর,মহানন্দাপুর ও ভগবানপুর এই পাঁচটি পঞ্চায়েত এলাকার প্রায় ৫০ টি গ্রামের মানুষ এই রাস্তা দিয়েই চলাচল করে।এক দশক আগে পিচের রাস্তা নির্মাণ করা হলেও তারপরে আর ছিটেফোটাও সংস্কার হয়নি।বর্তমানে রাস্তার অবস্থা কঙ্কালসার,পিচ উদরে পাথর বের হয়েছে।ছোটো গাড়ির পামচার হামেশাই হয়।স্কুল,কলেজ,থানা,ব্লক অফিহ,সাপ্তাহিক হাট ও হাসপাতালে এই রাস্তা দিয়েই যেতে হয় সবাইকে।রোগী ও প্রসূতি মায়েদের নিশ্চয়যানে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।এই ভোগান্তি পাঁচটি পঞ্চায়েত এলাকার হাজারো বাসিন্দাদের।হাজাতপুরের বাসিন্দা জহুর আহমেদ দাবি করে জানিয়েছেন,অবিলম্বে রাস্তা সংস্কার করা হোক।দ্রুত কাজ নাহলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। ঘনবসতি এলাকায় ড্রেন নির্মান হলে জল আটকে থাকবে না।তবে সংস্কারের কোনো উদ‍্যোগ নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ তিনি অভিযোগ করছেন।বছরের পর বছর ভাঙাচোরা রাস্তায় দিয়ে যেতে হচ্ছে হাজারো মানুষকে।

এছাড়াও সেরবাবর গ্রামের প্রায় ১ কিমি গ্রামীণ সড়কের পিচের চাদর সবটাই উঠেছে।বর্ষাকালে সেই রাস্তায় পা রাখেনা কেউ।এখন আপাতত ঢিপির মতো রাস্তায় চলাচল করছে এলাকাবাসী।এলাকাবাসী দাবি,অবিলম্বে সেই গ্রামীণ সড়ক গুলি সংস্কার করা হোক।কাজ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here