গত দু দিনের টানা হাল্কা এবং মাঝারি বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত পূর্ব মেদিনীপুর জেলার একাধিক চাষী,মাথায় হাত।

0
179

নিজস্ব সংবাদদাতা,পূর্ব মেদিনীপুর:- ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে গত দু দিনের টানা হাল্কা এবং মাঝারি বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত পূর্ব মেদিনীপুর জেলার একাদিক ব্লক।তবে অতিবৃষ্টিতে শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকের মহিষগোট ,বুড়ারি,ডিমারী, রামচন্দ্রপুর , হরশংকর , সাপুয়া, জঁফুলি সহ একাধিক গ্রামের কৃষকেরা। এলাকায় আমন ধান অনেক কৃষক তুলে নিলেও বহু চাষির ক্ষেতে রয়ে গিয়েছিলো ধান।যার ফলে একদিকে দাঁড়িয়ে থাকা ধান শুয়ে পড়ছে,পাশাপাশি কাটা ধান বৃষ্টির জলে নষ্ট হওয়ার সম্ভবনা যথেষ্ট। আসন্ন বোরো ধানের বীজতলার ক্ষতি হয়েছে অনেক জায়গায়।চাষিরা এখন ক্ষেত থেকে জল বেরকরানোর আপ্রান চেষ্টা করছে বহুজায়গায়। ফলে মাঠের ধান মাঠেই পড়ে নষ্ট হচ্ছে ,এইবিষয়ে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কৃষিদপ্তরের সহকৃষি অধিকর্তা , প্রশাসন ( শষ্য সুরক্ষা ) ডঃ মৃনালকান্তি বেরা বলেন গত দুদিনে জেলায় গড় ৩৮.৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হওয়ায় ধান এবং সবজির সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রতিটি ব্লকের কৃষি অধিকর্তাদের বলা হয়েছে মাঠে মাঠে গিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখতে । পরে সেই রিপোর্ট জমা হবে পূর্ব মেদিনীপুর জেলাশাসকের কাছে । নতুন বীজতলা এবং সবজি চাষের চাপান স্বরূপ সার বা ইউরিয়া না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এই কৃষি আধিকারিক । এতে যে গাছগুলি বাচানো সম্ভব সেগুলোও নষ্ট হওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি ।তবে জেলার মধ্যে সবথেকে বেশি বৃষ্টিপাত গতকাল হয়েছে পাঁশকুড়ায়।জানাগেছে ৭৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে এই ব্লকে,যা জেলায় সর্বাধিক। সব মিলিয়ে দুদিনের বৃষ্টিতে কৃষিজাত ফসল নিয়ে নাজেহাল কৃষকমহলের অধিকাংশ । অন্যদিকে ফুল ও সব্জীরও বেশকিছু ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলছে পাঁশকুড়া, কোলাঘাট,শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লক এলাকায়।তবে বিষয়ে সারা বাংলা ফুলচাষি ও ফুলব্যবসায়ী সমিতির রাজ্য সাধারন সম্পাদক নারায়ন চন্দ্র নায়ক জানান,জাওয়াদের জেরে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর,হাওড়া জেলায় কৃষিজাত ফসল ও সব্জী ফুলের ক্ষতি হয়েছে।ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা যাতে সরকারের কাছ থেকে ক্ষতিপূরন যাতে পায়, ডে বিষয়ে কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরন দপ্তরের মন্ত্রীকে স্মারকলিপি পাঠানো হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরনের দাবীতে।তবে সোমবার সকাল থেকে সূর্যের দেখা মাঝেমধ্যে দেখা মেলায় এবং বৃষ্টিপাত বন্ধ থাকায় কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস কৃষকদের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here