একটি ভ্রূণের জীবাশ্ম ও মিসোপ্রোস্টাল ট্যাবলেট : নিমাই জানা।

0
630

৩.৪৭ সেন্টিমিটার সারভাইক্যাল লেংথের ভেতর বসে থাকা আট সপ্তাহের ভ্রুনকে হত্যা করে বাড়ি ফিরে এলাম নৃতত্ত্ব পোশাক পরে

স্থির তড়িতের পাশে এক গোলাপী জলের নিচে দাঁড়িয়ে উলঙ্গ বাহারের ঘাম জলে স্নান সেরে উঠে আসি ক্ষুদ্রতম সংখ্যার নামাবলি গায়ে , হোমাগ্নি শরীরের চৈতন্য ঘটিয়ে চলে কোসাইন স্থানাঙ্কের লজ্জাবতী ও পুতুল বিউটি পার্লারের ডান দরোজা
আমি নিজেদের স্তনবৃন্তের বিন্দু থেকে সারাৎসার যৌন চিহ্নের মুনিদের ধ্যানমগ্ন কশেরুকা গুলো পাহাড়ে পরিণত করি ত্রেতা যুগের মাংসাশী পাহাড় চক্রে
সিলিকন ভাঙ্গা চাঁদের এবোরশন শরীরের দিকে তিনটি সাদা ঘোড়া পালক ফেলে ফেলে উড়ে যাচ্ছে মৃত হরিণীদের ডান বক্ষস্থলের দিকে ,

মিনি টগরের বনসাই ছায়াগাছের লাল রক্ত হাতে মেখে আমার বাবাও প্রাচীন কমরেড দাঁড়িয়ে আছেন , ঠোঁটে একটি বাঁশির ফ্যাটিগ নার্ভাস সিস্টেম , জিভে অ্যামাইনোএসিড ও মাল্টি ভিটামিনের কম্বাইন্ড দ্রবন
মা দৈবাৎ ক্রমেই শিব চতুর্দশীর রাইজোবিয়াম দিনে একটি সিফিলিস আক্রান্ত নিমাই অসুখের চাষ করে গেছেন এই হিবিস্কাস নিম বাগানের ভেতর
জুনায়েদ পুরোহিতদের হত্যা করার পর রাতের প্রতিটি মানুষের আলাদা আলাদা অবয়ব গজিয়ে ওঠে , আমরা নিজেদের ইচ্ছামতোই রূপান্তরিত জীবাশ্ম তৈরি করে নিতে পারি , পৌনঃপুনিক নীল আলো মাথায় এক অযোগবাহ পুরুষেরা কান্না নিয়ে কোন নারীর বুক খুলে দেয়
বরাহ ঈশ্বর কখনো ঘুমায় না এই পাললিক বিছানার উপর

পায়ের আঙুলগুলো সোজা থাকে না মৃত সৎকারের পর , ডাইক্লোফেনাক মৃতদেহের ফুসফুসীয় শিরাপথে একা একা ঘুরে বেড়াচ্ছে ব্যবচ্ছেদের তিনটি নিখিল পুরুষ , তাদের চোখের সজীব ঋষিজটা ফুলের পাশেই ধ্যানস্থ হবেন কলাবতী নারী
বিশাখা কোন নারীর নাম নয় একটি যৌগিক জলীয়বাষ্পের নাম
ব্যবচ্ছেদ ঘরের কঙ্কালের তলপেটে গর্ভাশয়ের পচন সংক্রান্ত ৩৩° উপসর্গগুলো মুছে দেয় একটি শিরদাঁড়াহীন ফরসেপের জিরাফীয় গ্ৰীবা , প্রতিটি পুরুষ রাত্রিকে আঁকড়ে ধরলেই ফুসফুস থেকে উঠে আসে সালফিউরাস আত্মহত্যার সব স্বীকারোক্তি

সচ্চিদানন্দ পুরুষ সর্বদাই পাশে হাঁটু মুড়ে বসে সমাঙ্গদেহী ক্রীপিং চলনে হাঁটেন , ঈশ্বর বৃহত্তম সংখ্যা পরও আরো একটি অভয়ারণ্যে রুদ্রবীজের চাষ করেছেন দ্রাক্ষাফল এর মতো
তারাপদ ফল ভান্ডার একটি বিসর্গ চিহ্নের উত্তরমালা নিয়ে ঝুলে আছে নৈঋতে মাথা রেখে , গন্ধর্ব শব্দের অর্থ কখনো অগ্নুৎপাত নয় , বাড়ির উনুনের পাশে জ্বালানি গুলো কালো রঙের উলঙ্গ থাকে কালো রঙের দড়ির পাশে এদের কোন যৌনাঙ্গ নেই

বাবা তরল হর্মোনাল কন্ট্রাসেপটিক গুলো খেয়ে ফেলছেন বিষধর সাদা হিমোগ্লোবিন রক্ত গুলোকে মিশিয়ে
আমাদের কোথায়ও ভুল হয়ে যাওয়ার আগে মৃগ শরীরের ন্যায় এক অখণ্ড নিরাময় সদনের পাশেই নিভৃত হেঁটে যাচ্ছে আমার এক অভি বান্ধব , শ্রীদাম ,বসুদাম
অজগরের পিঠে থাকা চৈতন্য রঙের ক্ষতস্থান থেকে মৃত শিশুগুলো জন্ম নিয়ে আবারো মাটির গভীরে মিলিয়ে যায় , একটি ভ্রূণের ডান বাহুতে তিনটি প্যারাবোলিক জরায়ু গজিয়েছিল এক রাত্রির জন্য

আধিভৌতিক বাবা সারাটা রাত দরজার উপর থেকে দেওয়ালের উপর হেঁটে হেঁটে পুংকেশর চক্রগুলো বিছিয়ে যায় রঙিন কাগজের দলমণ্ডল নকশার মতো
আমরা বৃহত্তর সৈনিকের পোশাক গায়ে সপ্তম অক্ষৌহিণী সেনা দলের পদাতিক সৈন্য হয়ে যাই , আমাদের কোনোদিন মৃত্যু নেই আগুনের মতো
200 মিলিগ্রাম মিসোপ্রোস্টল আর বিদেহী ভ্রূণ পরস্পর সমরেখ বিন্দুতে বসে আছে আবহবিদের মতো , আমরা একটি গোপন অন্ধকারের নিচে দাঁড়িয়ে লিউকোপ্লাস্টিড খুঁজে চলেছি আজো ,

ঈশ্বর ,উত্তল তলপেট থেকে গলনাংক ভ্রুণকে এখনই কিউরেট করবেন