বড়দিনের প্রাক্কালে রানাঘাট তথা নদীয়া বাসীর জন্য সাংসদ জগন্নাথ সরকারের উপহার, রেলওয়ে আন্ডারপাস এবং চূর্ণী নদীর সংস্কার।

0
356

নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা :- বড়দিন উপলক্ষে উৎসবমুখি সাধারণমানুষ, শিশুরা সান্টা মুখাপেক্ষী উপহারের আশায়। আর বড়রা জনমুখী সরকারি প্রকল্পের। আজ রানাঘাট সাংসদের কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে সাংসদ জগন্নাথ সরকার দুই উপহার ঘোষণা করেন
রানাঘাট বাসীর জন্য। যা নদীয়া দক্ষিণ জেলার চারটি বিধানসভার সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন।
না ঘাটে দীর্ঘদিনের সমস্যা লেভেল ক্রসিং এর কাছে যানজট, একাধিকবার সংবাদ শিরোনামে ওঠার পরেও টনক নড়েনি সরকারি মহলে। এমনকি একসময় সাংসদ জগন্নাথ সরকার নিজেও আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন বলে জানান। সম্প্রতি দিল্লিতে চলা অধিবেশনে ওই রেলগেটের জন্য আন্ডারপাসের একটি ব্যবস্থা মঞ্জুর করে এসেছেন বলে তিনি দাবি করেন। দ্বিতীয় উপহার হিসেবে তিনি বলেন বড়োসড়ো বরাদ্দে নদীয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চূর্ণী নদীর সংস্কারের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদন পেয়েছেন।
যদিও এ প্রসঙ্গে রানাঘাট পৌরসভার প্রশাসক কোশলদেব বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি জানিয়েছিলেন
রানাঘাট শহরে নিকাশির জল পরিশোধনের জন্য ট্রিট মেন্ট প্লান্ট তৈরি হতে চলেছে।প্রায় 50 কোটি ব্যায়ে ট্রিট মেন্ট প্লান্ট তৌরি হচ্ছে এই কাজ করবে কে এম ডি এ । এর ফলে চুর্নি নদীর দূষণ সমস্যা কিছুটা মিটবে । চূর্ণী নদী এর আগে বাংলাদেশ দেশ থেকে দূষিত বর্জ্য পদার্থ জলে মেশে তারপর শহরের নিকাশি জল চূর্ণী নদীতে পরে । বহু সংঘটন চূর্ণী নদী দূষণ নিয়ে আন্দোলন করে ছেন ।জাতীয় পরিবেশ আদালতও দূষণ রোদের জন্য পুরসভা কে নির্দেশ দিয়েছিল ।এই বার নিকাশির জল পরিষেধন করে নদীতে ফেলার ব্যাবস্থা করছে রানাঘাট পৌরসভা ।