বর্ণহীন জ্বর ও ফেরোপেনাম চ্যারিয়ট : নিমাই জানা।।

গোপন এরিথমেটিক জ্বরের কোন প্রাগৈতিহাসিক নাম নেই
ফেররোপেনাম ৩০০ একাই রথ চালিয়ে বাড়ি ফিরে গেল ব্রহ্মসূত্র মাথায় রেখে

দুর্গা ক্যাকটাসের মতো আমার সারা শরীরে অসংখ্য বিষধর স্ফোটক স্থানাঙ্ক বিন্দু আর কম্পাসেরা কাটাকুটি খেলার গাণিতিক সাধারণ নির্বাচন নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বুক খোলা দরজার পাশে , পারদ মাখা অভয়ারণ্যের ভেতর কেলভিন নামক একটি বৈধ নারী সর্বদা উপুড় মুখে বসে থাকে তিস্তা নদীর নৈরঞ্জনা প্রবাহ নিয়ে
গভীর রাতে উঠে নিঃশব্দে বায়বীয় অনুজীবকে ধরে ফেলার বৃথা চেষ্টা করেছি একা নিজের বুকের শ্বাস নিয়ে
গভীর রাত্রির ভেতর থেকে এক দাঁতাল শল্যচিকিৎসক বেরিয়ে এসে আমার মুখের রক্ত বের করে দিল , আমি মৃতঘোরের ভেতর পাতালের পুরুষদের দেখতে থাকি , ছুঁয়ে ফেলি হাড়গোড়
দক্ষিণ জানালায় ছায়ারা উড়লে আমার পৌরোহিত্য মনে আসে

শরীরবিহীন জ্বরকে একক বিহীন রাশি ভাবা যেতেই পারে ১° হিলিয়াম প্রেমের মতো , ন্যুড শরীরের মাতাল থিওরেম জলভেজা নৌকার গন্ধ মেখে পর্ণমোচী উদ্ভিদেরা ভেজা শ্যাম্পু চুলে নকশা কাটছে ঘোড়াটির অবতল পিঠের উপর শুয়ে
আমার কপালে জলপট্টির গরমে প্যারাসিটামল ৬৫০ সূর্যমুখীর জৈব পথ তৈরি করে গৃহিণীর মতো
নিজের বুকের ওপর বসলে রঙিন মাছেরা রাত্রিকালীন সঙ্গমে লজ্জা পায় , দেখছি বিছানাটি আসলে শ্বাসতন্ত্র সংক্রমনের জায়গা
মৃত পাখিরা উদ্বায়ী হয়ে যাওয়ার আগে সব পোশাক রেখে যায় নিজের দেরাজের ভেতর , আমি শুধু ঈশ্বরের জন্য আলাদা ঘুমাই
সকলেই খুঁজছিল আমার গোপন জ্বরের উৎসকেন্দ্র কোনটা বিষাক্ত লালারস , আরটিপিসিআর নাকি শুক্রাণুর দলা

ঘোড়াটি তিন দশক আগে মৃত বলেই গ্রস্ত উপত্যকায় আটকে গেছে রাইজোবিয়াম ফল খেয়ে , আমার সন্তানের ঠোঁটের পাশে এমোক্সিসিলিনের ১০৩° লাল কাপড়ের ঘোরে কর্দমাক্ত জিওল মাছেরা হাঁটতে-হাঁটতে ফিরে গেছে ককসিস যন্ত্রণা নিয়ে,
ঘরের ভেতর প্যারাটাইফয়েড সন্ন্যাসীরা লিভোসেটিরিজিন পাঞ্জাবীটিকে তুলে রাখে দরজার বিষধর ঠোঁটের কাছে
আমি হাত বাড়িয়ে ঠাণ্ডা তেতো জল গলায় ঢালি রাতের মাতাল নাগা পথিক সন্ন্যাসীর শিরদাঁড়ার মতো , রাতের প্রেসক্রিপশনে অনেকগুলো জমাট ভয় লুকিয়ে থাকে সিওপিডির রঙের
এই বোধহয় প্রথম লোমশ মৃত্যুর গায়ে হাত বুলিয়ে আদর করে দিলাম ফিতা কাটা গেঞ্জি খুলে

একটি রাধা নামের পরমা যোগের তালিকা থেকে নেমে আসা কুয়াশা শরীরের উদ্ভ্রান্ত বৃষ্টির ধারাগুলো রাত্রি দেড়টার পর পাগলের মতো নাচতে বেরোয় জড় মেহগনি ময়ূরের উপর , বিদিশা নারী আমাকে বাধ্য করেছে প্রতি ১০ সেকেন্ডে একবার জ্বরের ভাগফল নির্ণয় করার ,
আমার শিরদাঁড়ায় একটি বিষধর সাপের নাম প্রোবায়োটিক হতে পারে , ভুল করে জিভ পায়ের মতো রক্তাক্ত করেছে সাপের দাঁত
আমি বরাবর মতো সরলরৈখিক গণিতে বিশ্বাসী ছিলাম এই পরকীয়া আক্রান্ত হওয়ার আগেও , একথা শিখিয়েছে জ্বরের অবাধ্য প্রলাপ থেকে নেমে আসা একটি সাপিয়েন্স পরাগ রঙের অন্তর্বাস পরিহিতা নীলকমল নারী ,
তেতো জিভের পাশে আবহবিকার উপসর্গের মাঠে রাখি প্রিম্যাচিওর অক্সিজেন স্যাচুরেশন , মহাকাল , মহাবীজ , মহা ধনুর্ধর ধর্মক্ষেত্র, ভয়ার্ত সাপেরা আগুন খায়না বলে তাদের দাঁতগুলো তৃণভোজীর মতো চওড়া
একমাত্র রাতের ধোঁয়া ধোঁয়া চাঁদ আর লেবু ফুলের জননাঙ্গ নিয়ে আমি সন্তানের ঘুমের সাথে ব্যস্ত অনুপাত ছিলাম
এই শীতল উপকূলে দাঁড়িয়ে আমার শ্বাসকষ্টের গোপন অঙ্গানুর নাম হতে পারে জানালা বিহীন একাকী শয়নকক্ষ

আমার উপসর্গের উপর দাঁড়িয়ে বাবা কাঁদলেই রাত্রিকালীন দ্রবণটি ক্রমশ অসম্পৃক্ত হয়ে যায়
আমার কোন পীত রঙের জামা ছিল না , একগুচ্ছ কালো প্লাজমার পালক আছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *