যাত্রী সাধারণের স্বার্থে রেল দফতর কে চিঠি দিলেন বিধায়ক।

0
436

দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার ও সিংহদূয়ার নামে খ্যাত শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার ক্যানিং ষ্টেশন।দক্ষিণ শাখার একমাত্র ক্যানিং-তালদি ষ্টেশনের দূরত্ব ৭ কিলোমিটার।সাধারণ যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে মমতা ব্যানার্জী রেলমন্ত্রী থাকাকালীন তালদি-ক্যানিং ষ্টেশনের মধ্যবর্তী চাঁদখালি তে একটি হল্ট ষ্টেশন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।সুন্দরবনের মানুষের জন্য আরো একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মাতলা নদীর উপর রেলসেতু তৈরী এবং ঝড়খালি পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণ করা।দুটি কাজের জন্য বাজেট বরাদ্দ হলেও দীর্ঘদিন থমকে রয়েছে মাতলা নদীর উপর রেলসেতুর কাজ।এলাকার সাধারণ মানুষের দাবী ক্যানিং-তালদি’র মধ্যবর্তী চাঁদখালি হল্ট ষ্টেশন হলেও চালু হয়নি।ষ্টেশন চালু না হওয়ায় পরিত্যক্ত ষ্টেশনে চলছে অসামাজিক কাজকর্ম। এমন কি মাতলা নদীর উপর অর্ধসমাপ্ত রেলসেতুর সন্নিকটেও প্রতি অসামাজিক কাজকর্ম হচ্ছে।বাড়ছে দুষ্কৃতিদের দৌরাত্ম্য।
তাদের আরো দাবী চাঁদখালি হল্ট ষ্টেশন টি চালু হলে প্রতিদিনই হাজার হাজার যাত্রীরা উপক্ৃত হবেন। এছাড়াও মাতলা নদীর উপর রেলসেতুর কাজ সমাপ্ত হয়ে ঝড়খালি পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণ হলে কয়েক লক্ষ সুন্দরবনবাসী উপকৃত হবে। পাশাপাশি উপকৃত হবেন সুন্দরবন ভ্রমণে আসা দেশ বিদেশের ভ্রমণ পিপাসু পর্যটকরা। সাথে সাথে সুন্দরবনের আর্থসামাজিক ও ব্যাপক ভাবে পরিবর্তন ঘটবে।
সেই সমস্ত অসম্পূর্ণ কাজ যাতে করে সস্পূর্ণ হয় এবং সাধারণ মানুষ উপকৃত হন তার জন্য সরাসরি পূর্ব রেলের শিয়ালদহ ডিভিশনের ডিআরএম শৈলেন্দ্র প্রতাপ সিং এর সাথে দেখা করেন ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশরাম দাস। দেখা করে আলোচনার পাশাপাশি যাতে করে অসম্পূর্ণ কাজ তাড়াতাড়ি সমাপ্ত হয় এবং সাধারণ যাত্রীরা উপকৃত হয় তার প্রতিকার চেয়ে ডিআরএম এর হাতে লিখিত আবেদন করেন বিধায়ক।
বিধায়ক জানিয়েছেন ‘যাত্রী সাধারণ এবং সুন্দরবন বাসীদের সুবিধার জন্য ডিআরএম এর সাথে কথা বলে তাঁর হাতে চিঠি তুলে দিয়েছি। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন চিঠিটি রেলমন্ত্রালয়ে পাঠাবেনে এবং যাত্রী সাধারণের কথা তুলে ধরে অর্ধসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ কে জানাবেন।বিধায়ক আরো জানিয়েছেন প্রয়োজনে আগামীদিনে রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিয়ে রেলমন্ত্রীর সাথে কথা বলে সুন্দরবনবাসীর অভাব অভিযোগ সমাধানের জন্য তুলে ধরবেন।’
যদিও সুন্দরবনবাসী চাতকের মতো অধীর আগ্রহে তাকিয়ে কবে চালু হবে চাঁদখালি হল্ট স্টেশন এবং মাতলা রেল সেতুর কাজ কবেই বা সমাপ্ত হয়ে ঝড়খালি পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণের কাজ হবে সেই অপেক্ষায়।