পূর্ণিমার কোটালে সুন্দরবনে নদীবাঁধ বাঁচানোর উদ্যোগ গ্রামবাসীদের।

 সুভাষ চন্দ্র দাশ, সুন্দরবন :—বর্ষার শুরুর এবং ভরা পূর্ণিমার কোটালে সুন্দরবনের নদী গুলোতে জলস্তর অত্যধিক হারে বেড়ে গিয়েছে।পাশাপাশি বেশকিছু জায়গায় নদী বাঁধে ফাটল দেখা দেওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।বৃহষ্পতিবার সকালে আচমকা সুন্দরবনের বিভিন্ন নদীতে জলেরস্তর অত্যধিক হারে বেড়ে যায়।দুর্বল নদীবাঁধ ছাপিয়ে নদীর লবণাক্ত জল ঢুকে পড়ে এলাকায়।বাঁধ ছাপিয়ে নোনা জল ঢুকে পড়ে এদিন গোসাবার মোল্লাখালি বাজারে। নদীর নোনা জলে প্লাবিত হয় বাজার। অন্যদিকে কুমীরমারি বাজারে বেশকিছু দোকান নদী গর্ভে তলিয়ে যায়। আবার কুমীরমারি দক্ষিণ পাড়া সংলগ্ন রায়মঙ্গল নদীবাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছে।কুমীরমারির খুঁদের খেয়াঘাট সংলগ্ন রায়মঙ্গল নদীবাঁধে ধস নামতে শুরু করেছে। সেখানে গ্রামবাসীরা ত্রিপল দিয়ে নদীবাঁধ বাঁচানোর জন্য মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়াও সুন্দরবনের বালি,কচুখালি,রাধানগর,রাঙাবেলিয়া দ্বীপ এলাকার নদীবাঁধ খুবই দুর্বল।নিন্মচাপ আর পূর্ণিমার ভরা কোটালের দাপটে যে কোন মুহূর্তে নদীবাঁধ ছাপিয়ে গ্রামের পর গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশাঙ্কায় চাতকের মতো প্রহর গুণছেন এলাকার বাসিন্দারা।জলোচ্ছ্বাসে নোনা জল গ্রামের মধ্যে ঢুকে পড়লে ক্ষতিগ্রস্থ হবে সবজী,মাছ চাষ সহ চাষযোগ্য জমি। এমনকি নোনা জলের দাপটে বাড়িঘর ও ভেঙে পড়ার আশাঙ্কা রয়েছে।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ সঠিক পদ্ধতিতে নদী বাঁধ সংস্কার কিংবা নতুন কোন বাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় ২০০৯ এর আয়লা পরবর্তী সময় থেকে আতঙ্কিত হয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁদের আরো অভিযোগ নদীর লবণাক্ত জল গ্রামে ঢুকে পড়লে পুকুরের মাছ,চাষের জমি ক্ষতিগ্রস্থ হবে।সরকারী ভাবে উদ্যোগ নিয়ে জরুরী ভিত্তিতে বাঁধ মেরামতি করা উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *