শাখাঁরী পুকুরে এলাকা আজ ৬০ জন দুস্থ অসহায় হিন্দু,মুসলিম ও খ্রিস্টান পুরুষ মহিলা ও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের নিয়ে সৌভাতৃত্বের বন্ধনে এক অভিনব ভাইফোঁটার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত করা হয়।

পূর্ব বর্ধমান, রামকৃষ্ণ চক্রবর্তীঃ- ভাইফোঁটা এক সম্প্রীতির উৎসব। আপামর বাঙালি এই বিশেষ দিনটির অপেক্ষায় থাকে। ভাই বোনের ভালবাসার বন্ধনকে অনন্তকাল ধরে অটুট রাখার জন্য বংশপরম্পরা ধরে চলে আসছে এই বিশেষ উৎসব। ভাই বোনের নিঃস্বার্থ স্বর্গীয় ভালোবাসার প্রতীক হল ‘ভাইফোঁটা’। বাঙালি হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী, কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ কালী পুজোর দুদিন পরে উদযাপিত হয় এই ভাইফোঁটা উৎসব। কখনও কখনও শুক্লপক্ষের প্রথম দিনেও এই উৎসব পালিত হয়ে থাকে। কিন্তু এদিন বর্ধমান শহরে দেখা গেল এক উন্নত চিত্র। বর্ধমান সদর পেয়ারা নিউটিশন ওয়েলফেয়ার সোসাইটির পক্ষ থেকে তিন নম্বর শাখাঁরী পুকুরে এলাকা আজ ৬০ জন দুস্থ অসহায় হিন্দু,মুসলিম ও খ্রিস্টান পুরুষ মহিলা ও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের নিয়ে সৌভাতৃত্বের বন্ধনে এক অভিনব ভাইফোঁটার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত করা হয়। এই ভাবেই বেঁচে থাকুক মানুষের মধ্যে এক অটুট ভালোবাসা। বর্ধমান সদর পেয়ারা নিউট্রিশন ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সম্পাদক প্রলয় মজুমদার জানান, প্রতি বছরই আমরা এই ভাই ফোটার উৎসব পালন করে থাকি। মানুষের মধ্যে সৌভ্রাতৃত্বের বোধ জাগানোর জন্য এই ভাইফোঁটার আয়োজন। শুধুমাত্র প্রান্তিক মানুষদের নিয়েই আমরা এই কর্মসূচিটি করি। যারা মেয়েদের ভাইফোঁটা দেওয়ার মত মানুষ হারিয়েছেন তাদেরকে নিয়ে এই সৌভ্রাতৃত্বের অনুষ্ঠান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *