এলাকার রাস্তা ঘাট, পানীয় জল ও নিকাশি ব্যবস্থ্যার পাশাপাশি আবাস যোজনায় ঘর না পাওয়ার হিসাব নিয়েই ক্ষুদ্ধ ধলপাড়া এলাকার বাসিন্দারা।

হিলি, নিজস্ব সংবাদদাতা : একদিকে শেষ চৈত্রের চড়া ঝলসানো রোদে পুড়ে যাচ্ছে চারিদিক।অন্যদিকে আদালতের আইনী জট কাটিয়ে রাজ্যের দুয়ারে কড়া নাড়ছে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার মধ্যেই একদিকে এলাকায় উন্নয়নের জোয়ারের দাবি, অন্যদিকে, বর্তমান সমস্যার সমাধানের প্রতিশ্রুতি। এই দুই অঙ্কেই দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি পঞ্চায়েত সমিতির ধলপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত ফের দখল নিতে চায় তৃণমূল। যদিও এলাকার রাস্তা ঘাট, পানীয় জল ও নিকাশি ব্যবস্থ্যার পাশাপাশি আবাস যোজনায় ঘর না পাওয়ার হিসাব নিয়েই ক্ষুদ্ধ ধলপাড়া এলাকার বাসিন্দারা।

বালুরঘাট বিধানসভার মধ্যে অন্যতম হিলি এলাকার এই ধলপাড়া অঞ্চল।মোটামুটি এই এলাকার মধ্যে সবচেয়ে বড় গ্রাম পঞ্চায়েত বলেই পরিচিত এই ধলপাড়া।

এলাকার মানুষের সমস্যা মেটানোর পাশাপাশি ঢালাও উন্নয়ন হয়েছে বলেও দাবি করেছে শাসকদল পরিচালিত ধলপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান।। রাস্তা তৈরি ও মেরামতিতেও উদ্যোগী হয়েছে পঞ্চায়েত। পাশাপাশি, অধিকাংশ এলাকায় দেওয়া হয়েছে আবাসযোজনার বাড়ি। এলাকার বিভিন্ন স্কুল তো বটেই, বাজারে এলাকাতেও জলের ব্যবস্থা করেছে পঞ্চায়েত। দাবি তৃণমূলের।
তবে, এই সমস্ত সুযোগ সুবিধা থাকা সত্ত্বেও এলাকায় বেশ কিছু সমস্যাও রয়েছে বলে জানাচ্ছেন এলাকার বাসিন্দারা। সেই সমস্ত সমস্যার দ্রুত সমাধান চাইছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। এলাকাবাসীর দাবি, ধলপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার জল নিকাশি ব্যবস্থা যথেষ্টই পিছিয়ে।পাশাপাশি আবাস যোজনায় যাদের ঘর পাওয়ার কথা তারাই বেশির ভাগ বঞ্চিত। এই নিয়ে ক্ষোভ এলাকা জুড়ে। এর পাশাপাশি ধলপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত বাসিন্দাদের আরো অভিযোগ পঞ্চায়েতে কিছুই উন্নয়ন হয়নি। এখনও অনেকগুলি কাঁচা রাস্তা পড়ে রয়েছে। সেগুলো এখনও তৈরি হয়নি। তাছাড়া, বাড়ি বাড়ি পানীয় জলেরও সমস্যা রয়েছে। তাঁরা বলেন, “আমরা চাই এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে সুষ্ঠু ভোট হোক। সাধারণ মানুষের পঞ্চায়েত গড়ে উঠুক। উপকৃত হোক এলাকার সমস্ত মানুষ ।”

সাধারন মানুষের এত ক্ষোভ এলাকা জুড়ে তবু যেন অনেকটাই গাছাড়া ভাব রাজনৈতিক মহলে।হয়তো শাসক দল দলের দুর্নীতি র গপ্প প্রচারের দৌলতে আজ গ্রাম বাংলার ঘরে ঘরে, সেদিক দিয়ে অনেকটাই ব্যাক ফুটে শাসক দল। দুয়ারে সরকারকে সামনে রেখে শাসক দল নিজেদের ঘর গুছিয়ে নেবার মরিয়া প্রয়াস জারি রাখলেও অনান্য বিরোধীদের কেমন যেন গা ছাড়া ভাব।বিধানসভা নির্বাচনে খালি হাতে ফিরেছে এ রাজ্যের প্রাক্তন দুই শাসকদল। শূন্যহাতে ফিরেছে বাম ও কংগ্রেস।অন্যদিকে শেষ মুহুর্তে এসে সাগরদিঘি কিছুটা হলেও হাল ফেরালেও বিজেপি কিন্তু নিজেদের কয়েক কদম এগিয়ে নিয়েছে। এখন দেখার দুর্নীতির জাল কেটে তৃনমুল মুখ্যমন্ত্রীর ছবিকে সামনে রেখে ফের পঞ্চায়েত নিজেদের দখলে রাখে না বিগত বিধানসভা ও লোকসভা ভোটের মত বিজেপি বাজিমাত করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *