এই পঞ্চায়েত থেকে তৃনমূলের শেষের শুরু হবে। অন্তর্জলী যাত্রা শুরু হয়ে গেছে রথযাত্রার দিন থেকে,মেদিনীপুর থেকে মন্তব্য দিলীপ ঘোষ।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- এই পঞ্চায়েত থেকে তৃনমূলের শেষের শুরু হবে। অন্তর্জলী যাত্রা শুরু হয়ে গেছে রথযাত্রার দিন থেকে। বুধবার মেদিনীপুরে যোগ দিবস অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই বললেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি তথা মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ দিলীপ ঘোষ। মেদিনীপুর কলেজিয়েট স্কুলে যোগ দিবস অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে তিনি বলেন, যে ধরনের হিংসা ও দুর্নীতির রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে এসেছে তৃণমূল, পশ্চিম বাংলার মানুষ তাদের লজ্জিত, আমরা দুনিয়ার সামনে মাথা উঁচু করে কথা বলতে পারছিনা। একটা সাধারণ পঞ্চায়েত নির্বাচন নির্বিঘ্নে করাতে পারছে না, নয়জন মারা গেছে শুধু নমিনেশনে। তাহলে ভোট শেষ পর্যন্ত ফলাফল পর্যন্ত কত মারা যাবে ? এই হত্যা কিসের স্বার্থে, মানুষের স্বার্থে ভোট হচ্ছে মানুষই নেই, ভোট দিতে পারবেনা, বাড়ি থেকে বেরোতে পারবেনা। বারবার আদালত বলা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় বাহিনী নিচ্ছেন না, কিসের জন্য। এই যে ভয়, সত্যকে ভয় পাচ্ছেন, মানুষকে ভয় পাচ্ছেন তৃনমূলের লোকেরা এটাই তাদের পতনের কারন। মুসন পর্ব শুরু হয়ে গেছে তৃনমূলের, আমাদের কিছু বলার নেই, ওরা সামলাক। প্রায় ১৫ হাজার অতিরিক্ত নোমিনেশন যে হয়েছিল, তাদের অনেকেই নির্দল হয়েছে, গতবারে নির্দল জিতেছিল বলে নিয়ে নিয়েছিল, এবারেও ভাবছে জিতলে নিয়ে নেবে। যতই তৃণমূল ফটফট করুক, সব নির্দল জিতবে, আর সেই দুর্নীতি বাজরা আবার তাদেরকে পার্টিতে নিয়ে নেবে। গোয়ালতোড়ে গতকাল বিজেপির ১০/১৫ জনকে জোর করে মনোনয়ন প্রত্যাহার করানো হয়েছে, এরকম সব জায়গায় হচ্ছে, তারপরেও আমরা প্রায় ৫২/৫৪ হাজার ক্যান্ডিডেটকে এখনো ময়দানে রেখেছি। পুরো লড়াই করব, দরকার হলে বিরোধীরা এক জায়গায় হয়ে তৃণমুলকে হারাবে। জেলায় দেড় দু হাজার করে বুথ আছে, সমস্ত বুথই এখন উত্তেজনা প্রবন হয়ে গেছে, ভয় দেখানো হচ্ছে, তো সেখানে এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী কি করবে? কমপক্ষে দুটো করে তো আধাসেনা হওয়া উচিৎ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *