দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:-পদের বদলে ১০ লাখ! ভিডিও টি ভাইরাল হতেই আইনি প্রক্রিয়ার পথে যেতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন বালুরঘাট পৌরসভার সুবর্ণ তট হলে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে এ কথা জানালেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল সভাপতি মৃণাল সরকার।
গতকাল সামাজিক মাধ্যমে তৃণমূল জেলা সভাপতি মৃণাল সরকারের বেশ কিছু ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওগুলি ক্লিপিং দিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার একটি টুইট করেন। সুকান্ত মজুমদারের টুইটের পর রাজ্যের বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশিত হয়।
এদিন বালুরঘাটে সাংবাদিক সম্মেলন করে মৃণাল সরকার জানান, ওই ভিডিওগুলি পুরনো। খাওয়া-দাওয়ার যে ভিডিওটি রয়েছে তা গত দুর্গাপূজার সপ্তমীর দিনের। তাছাড়া টাকা প্রসঙ্গে যে কথা হয়েছে সেখানে যে ভিডিও করছিল বারবার সে টাকার প্রসঙ্গ তুললেও আমি ওই প্রসঙ্গে কোন কথাই বলিনি। তার কথার গুরুত্ব দিইনি। ভিডিওতে কোথাও টাকা নেওয়ার কথা বলা নেই। তার অভিযোগ, পুরনো ভিডিও নির্বাচনের আগে বাজারে ছেড়ে বিজেপি মরিয়া চেষ্টা করছে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নিজের গড়ে পায়ের তলায় মাটি নেই, তাই সে টুইট করে বাজার গরম করতে চাইছে। বিষয়কে নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হবো।
এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় নির্বাচন দেখভালের দায়িত্বপ্রাপ্ত তথা বালুরঘাট লোকসভার প্রাক্তন সংসদ অর্পিতা ঘোষ। অর্পিতা ঘোষ বলেন, ভিডিওর কোথাও জেলা সভাপতির টাকা নেওয়ার কথা বলা নেই বলে আমরা দেখেছি। সুকান্ত মজুমদারের মতো একজন শিক্ষিত মানুষ এই ঘটনায় টুইট করে নোংরা রাজনীতির পরিচয় দিয়েছেন। তৃণমূল জেলা সভাপতি কে ক্লিনচিট দিয়ে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া নেয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী জানিয়েছেন, ভিডিওটির যে সত্যতা রয়েছে তা কিন্তু প্রকারান্তের তৃণমূল নেতারা স্বীকার করে নিয়েছেন। তাদের নিজের লোকেরাই নিশ্চয়ই ভিডিওটি তুলেছিল, তা ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। তাছাড়া টাকা নেওয়াই তৃণমূলের কালচার। তৃণমূলের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি জানান, সেটা তাদের দলের ব্যাপার, নিতেই পারেন। প্রয়োজনে আমরাও নেব।












Leave a Reply