রাজনৈতিক হিংসায় মৃত্যু হওয়া দেগঙ্গায় বছর সতেরোর স্কুল পড়ুয়াকে ময়দানে নামিয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছিল তৃণমূল : সুকান্ত মজুমদার।

0
91

নিজস্ব সংবাদদাতা, বালুরঘাট:-  রাজনৈতিক হিংসায় মৃত্যু হওয়া দেগঙ্গায় বছর সতেরোর স্কুল পড়ুয়াকে ময়দানে নামিয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছিল তৃণমূল। এখন বিষয়টি ডিজি দেখুন। প্রশাসন এটাকে ছোট ঘটনা বলে আক্ষ্যা দেবে। এই ঘটনার জন্য প্রশাসন ও রাজ্য সরকার দায়ী বলে অভিযোগ তুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বুধবার বালুরঘাটে জেলা কার্যালয়ে একটি সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যের তৃণমূল সরকার, প্রশাসন এবং পুলিশকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে তিনি। কাঁচা সব্জির অগ্নিমূল্য দাম নিয়ে সুকান্ত কাঠগড়ায় দাড় করান রাজ্য সরকারকে। তিনি বলেন, এরাজ্যে চাষি জমি ৪৬ শতাংস সেচ ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত। অথচ ১০০ শতাংস সেচ ব্যবস্থা করা যায়। কিন্ত এ সরকার সংকীর্ণ রাজনীতি, পরিকল্পনাহীনতার জন্য তা হয়না। ফলে প্রকৃতি নির্ভরশীল হয় চাষাবাদ। সেকারণে এই মূল্যবৃদ্ধি। এতে একদিকে ক্ষতি হচ্ছে কৃষক অন্যদিকে সাধারণ মানুষ। সুকান্তর কথায়, নাসিক থেকে পেঁয়াজের পাশাপাশি অন্য রাজ্য থেকে প্রচুর কাঁচালাম আসে। কিন্ত এই সরকারের পুলিশ সেসব গাড়ি থেকে টাকা তোলেন। যার একটা বড় ভাগ যায় তৃণমূলের উচ্চ পর্যায়ে। এছাড়া সুফল বাংলা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সুকান্ত বলেন, রাজ্যে ৫০০ মত এই স্টল আছে। এথেকে নাকি রাজ্যবাসীকে নায্যদামে সামগ্রী দেওয়া হচ্ছে। কিভাবে এই কটি স্টল থেকে রাজ্যের প্রতিটি কোনে এটি চলছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বসিয়ে রাখা হয়। সঠিক কাজে বাহিনীকে পুলিশ ব্যবহার করে না প্রসঙ্গে সুকান্তর বক্তব্য, রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী সংবিধান মানেন না। কিন্ত কেন্দ্র সরকার সংবিধান মানে। সেকারণে একটি রাজ্য সরকারের কাজে হাত দেয়না কেন্দ্র। কিন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর ক্ষেত্রে এমনটা হলে আমরা বারবার আইন ও আদালতের দারস্থ হবে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের চমক ইস্যুতে সুকান্ত বলেন, আমরা ক্ষমতায় এসে ২০০০ টাকা করে দেব গরীব মহিলাদের। সেইসঙ্গে রাজ্যে শিল্প গড়ে ৫ বছরের মধ্যে বাইরে যাওয়া ৪৫ লক্ষ পরিয়ায়ী শ্রমিকের কাজের ব্যবস্থা করব।
অন্যদিকে, প্রতিটি মানুষ যাতে নিজের ভোট নিজে দিতে পারেন তা নিয়ে কর্মীদের উদ্দেশ্যে সুকান্তর বার্তা, নিজেরা ভোট দিন, অন্যদের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করুন। সেক্ষেত্রে যা যা করনীয় তা করুন বলে কর্মীদের উদ্দেশ্যে জানান সুকান্ত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here