নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদাঃ- —কথায় আছে নদীর তীরে বাস বিপদ বারোমাস।দীর্ঘ আন্দোলনের পর সেচ দপ্তর থেকে শুরু হয়েছে ফুলহর নদীর পার বাঁধানোর কাজ।তবে পাথরের বোল্ডার দিয়ে নয় নদীর মাটি কেটে সেই মাটি বস্তা তে বোঝাই করেই পার বাঁধানোর কাজ চলছে।সেচ দপ্তরের বিরুদ্ধে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখালেন হরিশ্চন্দ্রপুর-২ নং ব্লকের ইসলামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের
উত্তর ভাকুরিয়া,কাউয়াডল ও রশিদপুর
এলাকার বাসিন্দারা।অভিযোগ,ফুলহর নদীর দক্ষিণ প্রান্ত ভাঙ্গন প্রবন এলাকা।প্রতিবছরই নদীর জল বাড়লে ব্যাপক হারে ভাঙ্গন হয় এলাকায়।কিন্তু শেষ দপ্তর এবার জল কমতেই ভাঙ্গন প্রতিরোধে পার বাঁধানোর কাজ শুরু করেছে।দেখা যাচ্ছে পাথরের বোল্ডার দিয়ে নয় নদীর মাটি কেটে সেই মাটি বস্তা তে বোঝাই করেই পার বাধানোর কাজ করছেন।আর এই বস্তা নদীর স্রোতে ভেসে চলে যাচ্ছে। এইভাবে পার বাঁধলে তা বেশীদিন স্থায়ী হবে না বলে দাবি এলাকার বাসিন্দাদের। আজ বৃহস্পতিবার তারা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বিরুদ্ধে নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন।বিক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের দাবি এইভাবে নদীর পার বাঁধানো হলে সেটা ক্ষণস্থায়ী হবে।অবিলম্বে পাথরের বোল্ডার দিয়ে পার বাঁধানো হোক। প্রশাসনিক দিক থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে গ্রামবাসীরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন হবেন বলে হুমকি দিয়েছেন।
সেচ দপ্তরের বিরুদ্ধে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখালেন হরিশ্চন্দ্রপুর-২ নং ব্লকের বাসিন্দারা।












Leave a Reply