
পাঁশকুড়া পূর্ব-মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- গ্রামেগঞ্জে বিভিন্ন মন্দির থাকলেও রামচন্দ্রের মন্দির হাতে গোনা খুবই কম। তবে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়া ব্লকের রঘুনাথবাড়ি গ্রামের নামটি এসেছে গ্রামের রঘুনাথজীউ এর নাম থেকেই এমন টাই লোকমুখে কথিত আছে। আজ থেকে সাড়ে চারশো (৪৫০) বছর আগে থেকেই পাঁশকুড়ার রঘুনাথ বাড়িতে রঘুনাথজীউ অর্থাৎ রামচন্দ্রের পুজোর সূচনা হয়।কাশীজোড়া পরগোনার রাজারাই এই জমি দান করেন। রাজারা মহন্তদের ওপর দায়িত্ব দিয়ে যান। তাদের তত্বাবধানে নিত্তনৈমিত্তিক রামচন্দ্রের পুজো হয়ে আসছে রঘুনাথবাড়ি গ্রামে। মন্দিরের সামনে রয়েছে প্রাচীন একটি কামান।মন্দিরের বাইরে আছে হণুমানজীউর মন্দির। পাশাপাশি রঘুনাথজীউ মন্দিরে রয়েছে রামচন্দ্র, লক্ষ্মণ, সীতা, ভরত, শত্রুঘ্ন, হনুমান সহ একাধিক মূর্তি।প্রতিদিনই বিভিন্ন দূরবর্তী স্থান থেকে আসেন রামচন্দ্রেকে পুজো দেওয়ার উদ্দেশ্যে। তবে দূর্গাপুজোর দশমিতে রঘুনাথজীউ র বিশালাকার রথ টানা হয়।বসে দশদিন ধরে গ্রামীন মেলা। হাজার হাজার মানুষের ভিড় হয় রঘুনাথজীউ মেলা উপলক্ষে। তবে প্রতিদিনই রামচন্দ্রের পুজো হয় এই রঘুনাথ বাড়িতে। প্রাচীন এই মন্দিরটি ভগ্নপ্রায় দশা। স্থানীয় স্বেচ্ছা সেবী সংস্থা এগিয়ে এসে কিছুটা সংস্কার করেছে। তবে মন্দিরের চার পাশের অংশ ভগ্নদশা। মন্দিরে রামচন্দ্রের ভোগ হয় নিত্ত নৈমিত্তিক। রয়েছে মন্দিরের রন্ধনশালা। নুয়ম রীতি মেনেই চলো শ্রীরামচন্দ্রের পুজো। জেলার অন্য তম প্রাচীন রামমন্দির বলা যেতেই পারে।প্রতিদিনই লেগে থাকে ভক্তসমাগমের ভিড়।












Leave a Reply