আজও তৈরি করে দেওয়া হলনা এই সড়কের পাশের হাই ড্রেন, ঘটনায় ব্যাপক ক্ষোভ।

নিজস্ব সংবাদদাতা, বালুরঘাটঃ- বছরখানেক আগে সমাপ্ত হয়েছে জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ। কিন্তু আজও তৈরি করে দেওয়া হলনা এই সড়কের পাশের হাই ড্রেন। ঘটনায় ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি ব্লকের অন্তর্গত তিওর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল এলাকার মানুষের মধ্যে। বর্ষার আগে এখানকার উন্নত নিকাশি ব্যবস্থা গড়ে দেওয়ার দাবি।
জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মধ্যে দিয়ে প্রসারিত হয়েছে ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়কটি। বালুরঘাট শহরের মঙ্গলপুর থেকে হিলির ত্রিমোহীনি পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার রাস্তাটি সিঙ্গেল লেন ছিল। হিলি সীমান্তের ইমিগ্রেশন চেক পোষ্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহণ ও উন্নত যোগাযোগের প্রয়োজনে এই সড়ক চওড়া বা সম্প্রসারনের কাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের শুরুতে। এই রাস্তা কোথাও টু, আবার কোথাও ফোর লেন করা হয়। ন্যাশনাল হাইওয়ে ডিভিশনের অধীনে এই সম্প্রসারণের অধিকাংশ কাজ আগেই হয়ে গিয়েছিল। তবে এই সড়কের মাঝখানে থাকা তিওর স্কুল মোড় থেকে আশ্রম পাড়া পর্যন্ত অন্তত এক কিলোমিটার জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণে কাজটি পরে শেষ হয় জমি জট কাটিয়ে। এদিকে রাস্তার কাজ শেষ করেই এই জনবহুল এলাকায় হাইড্রেন করে দেওয়ার কথা ছিল বলে দাবি। অথচ সড়ক সম্প্রসারণের কাজ শেষ হওয়ায় এক বছর পরেও এখানকার নিকাশি হয়নি বলে অভিযোগ। ফলে বর্ষায় পুরো এলাকা জলের তলায় চলে যায় বলে ক্ষোভ এলাকার বাসিন্দাদের।
স্থানীয় বাসিন্দা দুলাল শীল এবং স্থানীয় বাম নেতা রথীন সরকাররা বলেন, তিওরে পুরো বাজারটি রয়েছে ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়কের দুপাশে। আগে রাস্তার দুপাশেই হাইড্রেন ছিল। এটি পঞ্চায়েত সমিতি তৈরি করেছিল। জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের জন্য এলাকায় হাইড্রেন বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সড়কের কাজ শেষ হওয়ায় পরেই ঢাকনাযুক্ত উন্নত নিকাশি বা হাইড্রেন করে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্ত তা আজও হলনা। এখন বৃষ্টি হলেই জল জমা হয়ে যায় রাস্তা ও পঞ্চায়েত সমিতির নির্মিত বাজারে। সমস্যায় পড়েন ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ। এর আগে পাম্প বসিয়ে জমা জল বের করা হয়েছিল। রাস্তার কাজ শুরু ও শেষের সময় আমরা কর্তৃপক্ষকে নিকাশি সমস্যা দূর করতে বলেছিলাম। কিন্ত হয়নি। এর আগে জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয়েছিল দলমত নির্বিশেষে। স্থায়ীভাবে এই সমস্যা দূত দূর করার দাবি আমাদের। প্রয়োজনে ফের আন্দোনলের পথে নামব আমরা।
বাইট রথীন সরকার
দুলাল শীল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *