মহুয়া মৈত্রর সমর্থনে কৃষ্ণনগরে ভোট প্রচারে এলেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।

নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:-  লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট বাজতেই প্রচারে নেমেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। এবার কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রে শাসকদলের ভরসা প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্র।তাই এবার মহুয়া মৈত্রর সমর্থনে কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে মহিলা জনসভা অনুষ্ঠিত হলো, নদীয়ার নাকাশিপাড়া ব্লকের, বেথুয়া এলাকায়। এদিনের এই জনসভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, নদীয়া জেলার সভাধিপতি তারান্নুম সুলতানা মীর এবং তৃণমূলের দুই বিধায়ক কল্লোল খা এবং তাপস সাহা, সহ তৃণমূলের শীর্ষস্থানীয় একাধিক নেতৃত্ব ও শতাধিক মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকরা। এদিনের জনসভা থেকে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানান,কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের লড়াই মেয়েদের সম্মানের লড়াই,মাতৃ শক্তির লড়াই। তার কারণ যেভাবে মহুয়া মৈত্রকে সংসদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বেআইনিভাবে,তার বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার লড়াই, কৃষ্ণনগরবাসীর এবার ভোট বাক্সে প্রমাণ দেবে।অপরদিকে কৃষ্ণনগর বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায় কে নাম না করে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।তিনি জানান, প্রজাতান্ত্রিক দেশে কোন রাজা বা প্রজা থাকে না। তবে যদি কেউ রাজতন্ত্র নিয়ে রাজনীতি করতে আসে সেটা মানুষ মেনে নেয় না। তৃণমূল কংগ্রেস সাধারণ মানুষ হয়ে ভোটে লড়াই করার ক্ষমতা রাখে। বিজেপি সেই কাজ করতে পারে না। সুতরাং কৃষ্ণনগরের মানুষ মহুয়া মৈত্রকে বিপুল ভোটে ভোট দিয়ে জয়ী করবেন বলেই আশাবাদী তিনি। অপরদিকে কেন্দ্রীয় সরকারকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।তিনি জানান কোথায় গেল চাকরি?কখন এলো সাধারণ মানুষের ব্যাংক একাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা? বিজেপি শুধু ভাউতা দিয়েই সাধারণ মানুষের বিশ্বাস অর্জন করে,তাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে। অপরদিকে তৃণমূল কংগ্রেস মানুষের পাশে থেকেই মানুষের কাজ করে।সুতরাং মেয়েদের এবং মায়েদের প্রতি তার একটাই আবেদন,আরও একবার মহুয়ার উপর ভরসা রেখে, সংসদে মহুয়াকে ফিরিয়ে তার যোগ্য সম্মান ফিরিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব কৃষ্ণনগরবাসির।সুতরাং এই লড়াই মাতৃ শক্তির,যার কাছে হার মানবে বিজেপির বিভাজনের রাজনীতি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *