তাল কাটে নি, কর্ম যোগী নির্ভিক সৈনিক ডঃ অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায় সহ যোদ্ধাদের প্রকৃতির কাছে হার না মানার বার্তা দেন।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ- গুজব কান দেবেন না, ভেতরে কান পাতলেই শোনা যাবে তীব্র লড়াইয়ের ক্ষিধে! একটা, তালকেটে যাওয়়ার মিথ্যে অপপ্রচার হলেও, বিষয়টি আসলে তেমন ছিল না। কর্মযোগী মানুষ, প্রধানমন্ত্রী মোদীর স্নেহধন্য – ডঃ অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায় আসলে এতটাই দ্বায়িত্বশীল যে, কোন মিশনে তিনি নামলে সেই মিশনে যতই প্রতিকূলতা আসুক না কেন-সব প্রতিকূলতাকে দূরে সরিয়ে এগিয়ে যেতে পারেন। সেটা একটু তাঁর কর্মজীবন ঘাঁটলেই সাম্যক ধারণা পাওয়া যায়। যথার্থই জ্ঞানী ও গুণী এই মানুষটি বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। এমনই কর্মবীর মানুষটিকে বিজেপি যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করে গুরু দ্বায়িত্ব সঁপেছেন। তাই প্রতিটি ক্ষেত্রের মতন এই দ্বায়িত্বও যে তিনি সমান দক্ষতায় এবং শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে পালন করে যাবেন এটাই স্বাভাবিক। তাইতো দেখা যাচ্ছে প্রকৃতির এই করাল চোখ রাঙানিকে উপেক্ষা করেও জনগনের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে যাচ্ছেন মোদীর স্বপ্নের ফেরিওয়ালা হয়ে। যেখানে অন্যান্য দলের প্রার্থীরা এই গরমে কিছুটা পিছু হটছেন সেখানে ক্লান্তিহীন অক্লান্ত সৈনিক অনির্বাণ এগিয়ে চলেছেন সম্মুখপানে।

যদিও প্রকৃতিকে কেউ আমরা উপেক্ষা করতে পারিনা এটাও ঠিক কথা, তেমনি এটাও ঠিক যাদবপুরের মাটিত এমন বিরোধী লড়াকু প্রার্থী বোধহয় আগে কখনো দেখননি মানুষ। যেখানে মানুষের চাওয়া পাওয়া, যেখানে মানুষের অভাব অভিযোগ, যেখানে মানুষের ভালোবাসার প্রশ্ন জড়িয়ে সেখানে তিনি যে আরো বেশী বেশী করে ঝাঁপিয়ে পড়বেন এটাই স্বাভাবিক। লক্ষে অবিচল, নির্ভিক ও সাহসী যোদ্ধা – ডঃ অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায় – তাই বোধ হয় চাননি তাঁর সহ যোদ্ধারাও পিছিয়ে পড়ুক। তাই সহ কর্মিরা যখন কিছুটা জিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছিলেন প্রকৃতির প্রতিকুলতায়, সেখানে প্রধান সৈনিক ডঃ গঙ্গোপাধ্যায় চেয়েছেন – শুধু বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল নয় – হারাতে হবে প্রকৃতিকেও। ক্ষুব্ধ নন, কর্মীদের জেগে থাকার বার্তা দেন, কারন হাতে যে সময় কম। তাইতো সামান্য ভুল শুধরে দিয়ে পরমুহূর্তেই এক নব উন্মাদনায় প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন বারাইপুরে সকল সহযোদ্ধাদের নিয়ে। নিন্দুকেরা যতই নিন্দে করুক, যতই ফাঁক ফোকর খুঁজে বেড়াক না কেন, সদা উন্নত শীর নির্ভিক অনির্বাণ এগিয়ে চলেছেন মানুষের ভালোবাসা ও আর্শীবাদ সঙ্গে নিয়ে। কোন অস্ত্রের আঘাতে যে তাঁকে টলানো যাবেনা তা হাড়ে হাড়ে বুঝে গেছে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *