
নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদা—-ভোট আসে ভোট যায়।কিন্তু রাস্তা নেই।এমনি ছবি উঠে এলো, মালদহের হবিবপুরের ব্লক এর মঙ্গলপুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের রাধাকান্তপুর গ্রামের বাসিন্দারা পঞ্চায়েত, লোকসভা ভোট বয়কট থেকে পথে নেমে বিক্ষোভ দেখানোর পরেও রাস্তার হাল ফেরেনি, দাবি স্থানীয়দের। তাঁদের দাবি, বৃষ্টিতে টোটো, গাড়ি তো দূরের কথা, পায়ে হাঁটারও যোগ্য নয়। তাই জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে প্রশাসনের ভূমিকায় ক্ষোভে ফুঁসছেন গ্রামবাসীরা।হবিবপুরের মঙ্গলপুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের রাধাকান্তপুর বুথে ১৩৫০ জন ভোটার রয়েছে। রাধাকান্তপুর ছাড়াও জগন্নাথপুর, রামকৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দারা যাতায়াত করেন। রাস্তাটির দূরত্ব প্রায় পাঁচ কিলোমিটার। রাস্তার উপরে টাঙন নদীর উপরে প্রয়োজন দুটি পাকা সেতু। বর্ষার মরসুম শুরু হতেই বিপাকে পড়েছেন গ্রামগুলির হাজার খানেক পরিবার।ওই এলাকায় অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে পৌঁছতেও সমস্যায় পড়তে হয়, দাবি স্থানীয়দের।
রাস্তার দাবিতে গত পঞ্চায়েত এবং লোকসভা ভোট বয়কট করেন গ্রামবাসীরা। এমনকি লোকসভা ভোটের দিন পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীদের খণ্ড যুদ্ধে তেতে উঠেছিল। তার পরেও রাস্তার হাল ফেরেনি বলে অভিযোগ l “জনপ্রতিনিধিদের কোনও দেখা নেই। প্রশাসনের আশ্বাস মিললেও রাস্তা পাকা হয়নি।” কী করলে রাস্তা মিলবে, প্রশ্ন তুলছেন গ্রামবাসী।
এদিকে গ্রামবাসীদের অভিযোগ রাস্তা না হলেও পূর্ত দপ্তর থেকে এলাকায় বোর্ড লাগানো হয়েছে রাতে অন্ধকারে এই ভোট লাগানো হয়েছে কে বা কারা এই বোর্ড লাগিয়েছে প্রশ্ন উঠতে শুরু l এদিকে বর্ষার মরশুমে টাঙ্গন নদীর জল ফুলেঁপে উঠেছে সেখানে অস্থায়ী বাসের সাঁকো খুলে দেওয়া হয়েছে ফলে গ্রামের পুরুষ মহিলা দেরকে দড়ি টেনে নৌকা নিয়ে এপার ওপার করতে হচ্ছে l সমস্যা থাকলেও রাস্তা ও ব্রীজ না হলে আগামী বিধানসভা ভোটও দিবেন না বলে হুশিয়ারি দিয়েছে গ্রামবাসী l
রাস্তার জন্য প্রশাসন এবং রাজ্যের শাসক দলকেই দুষেছেন হবিবপুরের বিজেপি বিধায়ক জোয়েল মুর্মু। তিনি বলেন,“রাস্তার জন্য কোটি টাকা প্রয়োজন। বিধায়ক তহবিল থেকে করা সম্ভব নয়। দিশা মিটিং করে না জেলা প্রশাসন রাজ্যের সরকারও কিছু করছে না।” l মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র আসিস কুন্ডু জানান হবিবপুর বিধানসভা বিজেপির দখলে এখানকার এমপিও বিজেপির তা সত্ত্বেও রাস্তার কাজ করছে না আমরাই এ রাস্তার কাজ করব।
মালদা জেলা পরিষদের সহকারি সভাধিপতি এটিএম রফিকুল ইসলাম জানান রাস্তার বিষয় নিয়ে বহুবার অভিযোগ গ্রামবাসী আমাদেরকে জানিয়েছেন বিষয়টি আমরা জানি পূজোর পরই রাস্তার কাজ শুরু হবে তবে রাস্তার কাজ না হয়ে পূর্ত দপ্তরের ভোট কেন বসানো হলো সেই বিষয়ে তদন্ত করে দেখা হবে।












Leave a Reply