
পূর্ব মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- সুপ্রিম কোর্টে ED মামলায় রাজ্যকে ভৎসনা নিয়ে এবার শাসকদলকে কটাক্ষ ছুড়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার রাতে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাটে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন
ভারতবর্ষের দশটি জায়গায় আইন মেনে এডির যে তল্লাশি হয়েছিল তাতে পশ্চিমবঙ্গের ঘটনা সবাই জানেন। সেই বিষয় নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আজকে মামলা ছিল। এবং এই মামলাতে আজকের যে ইন্টারিং জাজমেন্ট এসেছে। সে বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাদের বক্তব্য পেশ করেছেন।
কিন্তু তারপরেও রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হিসেবে, আজকের যে অর্ডার এসেছে, তাতে প্রমাণিত হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের দামি দামি লইয়ার রেখে বহু টাকা খরচা করেও শেষ রক্ষা হয়নি। গত পাঁচ বছরের মতো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপাতত দুর্নীতিগ্রস্ত মামলা আধিকারিকদের কাজে লাগিয়ে উল্লেখযোগ্য রায় হয়েছে।
বিওপিডিকে সাসপেন্ড করার অর্ডার হয়েছে। যারা ছেলে তাদের হল রয়েছে। সিসিটিভির সামনে অপকর্ম করেছিল সেই কীর্তি আগামী দিনের সুপ্রিম কোর্টে পেশ করতে হবে। তারা যদি মুছে দিয়ে ফেলেন তাতেও প্রমাণিত হবে তারা দুর্নীতি করেছেন। হাইপ্যাক সহ তৃণমূলের সমস্ত স্তরের চোর ডাকাতরা ধরা পড়বে। ফাইল চুরির পর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মোবাইল চোর সেটাও মানুষ দেখছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দরজার সামনে পাঠিয়ে ছবি তুলেছিলেন, কিন্তু কাম করে দিলে পুলিশ এমন দিয়েছে তাতে
আমরা সিঙ্গেল বেঞ্চে গিয়েছিলাম রাজ্য সরকার থেকে প্রাপত্তি করে আজকে সারাদিন শুনানি হয়েছে। মাননীয় বিচারপতি, অন্যদিকে নন্দীগ্রামের শুভেন্দু অধিকার বিধানসভা এলাকায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেবা সেবা আশ্রয় নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন শুভেন্দু অধিকারীর ,নবান্ন সামনে ধরনা হাইকোর্টের রায় চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যাওয়ার ভাবনা। শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন আগামীকাল আমরা এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যাব। এবং নবান্ন তিনটি রাস্তার সামনে যে কোন ওয়ার্কিং ডে তে
মন্দির তলায় অবরোধে বসবো।
ওরা চোরের মত গিয়েছিল কর্তব্য ভবনে
আমরা বুক ফেরিয়ে যেতে চাই।
এটা আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। শান্তিপূর্ণভাবে এগারোটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত দুঘন্টার জন্য গণতন্ত্র রক্ষার জন্য , পাশাপাশি নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর দিল্লি থেকে কি আনতে পেরেছেন কটাক্ষ নিয়ে প্রতিক্রিয়া।
নন্দীগ্রামে সেবাশ্রয় প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, প্যারাসিটামল আর ওআরএস এর প্যাকেট বিতরণের মাধ্যমে তার বিধানসভা কে বেছে নিয়েছে আমি খুশি। ৩৫টি শহীদ পরিবার উপস্থিত ছিল না। রাজ্যের অন্যান্য প্রান্ত থেকে সাউথ বেঙ্গল বাস এসেছিল। কারন নন্দীগ্রামের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে। বহু আগে থেকেই শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামের মানুষের পাশে থেকে সারা বছর সেবা করে এসেছে। মাত্র ৩-৪ দিন শহীদ পরিবারের মানুষকে এনেছিল ওরা, যারা রাজনীতিকভাবে যুক্ত এর সঙ্গে। নন্দীগ্রামের মানুষ এত সস্তা নয়। স্বাধীনতার আন্দোলনে থেকে বাম আমল সব ক্ষেত্রেই নন্দীগ্রাম বুঝিয়ে দিয়েছে। নন্দীগ্রাম না থাকলে ওনার পিসি মুখ্যমন্ত্রী হতেন না। নন্দীগ্রামের মানুষ অপেক্ষা করেছেন।
আমাকে লক্ষ্য করে এই কর্মসূচি নিয়েছেন। আমি প্রশ্ন করতে চাই কেন অনেক পিসিমনি তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেননি। সিঙ্গুর থেকে টাটা চলে যাক সেটা আমি সমর্থন করেনি। তাই ওই আন্দোলনের সঙ্গে আমি যুক্ত ছিলাম না। কিন্তু নন্দীগ্রামের আন্দোলন ছিল আলাদা। সোনাচুড়াতে আইটিআই বানাবো, করেননি। রিয়াপাড়া কমিউনিটি হলে আমি আমার কাজের খতিয়ান প্রকাশ করেছি।
৮৩৪ জন জমিদাতা চাকরি পেয়েছেন। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আজও তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেননি। শেখ সুফিয়ান, আবু তাহের মত নেতাদেরকে নিয়ে যাদের নিয়ে ঘুরেছেন মুখ্যমন্ত্রী, তারা খুনি।নন্দীগ্রামে আর ৬ একর জমি দরকার রেল প্রকল্প চালু হওয়ার জন্য। অনুরোধ করবো এই জমি আপনারা দিয়ে দেন।নন্দীগ্রামের আমি আত্মীয়। দায় দরকারে আমি থাকার চেষ্টা করি সব সময়।
আমি দলের অনুমতি সৈনিক। দলের শৃঙ্খলা মানি। যদি পার্টি অপশন দেয় তাতে নন্দীগ্রামে কিংবা ভবানীপুরে সংরক্ষিত আসন ছাড়া যেকোনো জায়গায় লড়তে রাজি আছি। নন্দীগ্রামবাসী আগামী দিনেও তৃণমূলকে যোগ্য জবাব দেবে। চোরেদের হারিয়ে বিজেপির আবারো নন্দীগ্রামে জিতবে। আপনার পিসিকে আপনি আরো একবার বলবেন নন্দীগ্রামে ভোটে লড়তে। আবারো আপনাকে হারাবো। আপনাকে যারা তথ্য দিয়েছে সেটা ভুল তথ্য। আপনাকে আমার বিধানসভা কেন্দ্রে আসার জন্য স্বাগত। আশা করি কোন অসুবিধা হয়নি।
যে রাজ্যের ডিজি, সিপি চুরি করতে যায়। মোবাইল চোর। এতো নিকৃষ্ট মনের জানতাম না।বাংলাদেশী মুসলমান, রোহিঙ্গা মুক্ত করতে হবে আগামী ভবিষ্যতের প্রশ্ন। তাই আপনারা সকলে সহযোগিতা করুন।বিজেপি দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। এটা মহা জঙ্গলের রাজত্ব চলছে।
যেদিন তৃণমূলের ক্ষমতা চলে যাবে সেদিন সুন্নতে পরিণত হবে তৃণমূল। সিপিএম ধুকধুক করে চলছে। ক্ষমতায় না থাকলে, পুলিশ তুলে দিলেই এক মিনিটে হাওয়া হয়ে যাবে তৃণমূল।
নন্দীগ্রামের এমন এমন এলাকায় দিয়ে আপনি গিয়েছেন সেখানে আপনাদের লোকজন নেই। খোদামবাড়ী হরিপুর সর্বত্রই বিজেপির পঞ্চায়েত। সকলকেই বলে দিয়েছিলাম কোনো গুরুত্ব দেওয়ার দরকার নেই। লড়াই হবে কুতসা, অপশাসনের বিরুদ্ধে। এরা সব সময় সুযোগ খোঁজে কিভাবে পুলিশকে ব্যবহার করা যায়। যেদিন রাষ্ট্রপতি শাসন হবে, সেদিন পুলিশের জুতো বোয়া বন্ধ হয়ে যাবে। এই পুলিশে আপনাদের কোমরে দড়ি বেঁধে নিয়ে যাবে। অন্যদিকে এস আই আর এর প্রাক্তন বিদেশ সচিবদের ডাক নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন যে কাউকে ডাকতে পারে, আপনাকেও ডাকতে পারি, আমাকেও ডাকতে পারে, সকলকে বলবো সহযোগিতা করুন। ভার্চুয়ালির না আসতে পারলে অনলাইনে ব্যবস্থা আছে। পাশাপাশি হাইকোর্টের প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামলায় তলব শুভেন্দু অধিকারী তা নিয়েও প্রতিক্রিয়া দেন।
হাইকোর্টকে আমি, আমি জানি উনি এখনো ডিউটিতে নেই, আমাকে অতদূর যেতে বলেছে, আমাকে অনলাইনে ডাকবে আমার সাথে মোবাইল থাকে যা বলবে আমি সেটাই উত্তর দিয়ে দেব।শুভেন্দু অধিকারী বলেন এখনই কলকাতা পুলিশ কমিশনার, DGP সাসপেন্ড করা। সহ একাধিক প্রসঙ্গ নিয়ে এই দিন মুখ খুললেন শুভেন্দু অধিকারী।












Leave a Reply