
দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- নাজিরপুর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত হরিশিরা এলাকায় রাস্তার ধারে সরকারি গাছ চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল চকহায় বিজেপি নেতা গোপেন ঘোষের আত্মীয় অনুপ ঘোষ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি হরিশিরা এলাকার রাস্তার পাশে থাকা সরকারি গাছ কেটে নেওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হয়। এরপরই তাঁরা অভিযুক্ত অনুপ ঘোষকে পাকড়াও করেন।
স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে অভিযুক্ত জানায়, সে পতিরাম পঞ্চায়েতের প্রধান পার্থ ঘোষের নির্দেশে ওই গাছ কাটতে এসেছে। বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তবে অভিযোগ ওঠার খবর পেয়েই পতিরাম পঞ্চায়েতের প্রধান পার্থ ঘোষ নিজে পতিরাম থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে বিষয়টি মৌখিকভাবে জানান এবং নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। এমনকি ঐ ছেলেকে প্রধান সে ভাবে চেনেনই না! হঠাত্ পার্থ ঘোষের নাম কেন নিলেন? তখনই বেড়িয়ে আসে আরেক তথ্য। ঐ ব্যক্তিটি চকহায় এলাকার বিজেপি নেতা গোপেন ঘোষের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। আর এরপরেই প্রধান পার্থ ঘোষ পুলিশের কাছে মৌখিক ভাবে বিষয়টির নালিশ করেন।
যদিও ততক্ষণে হরিশিরা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত অনুপ ঘোষকে পতিরাম থানায় তুলে দেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বিষয়টি ঘিরে এখন প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক স্তরে আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে। এমনকি পতিরাম এলাকার শতাধিক তৃণমূল কর্মী থানার সামনে জড়ো হয়ে ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকেন।
এই ঘটনার পর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন পতিরাম পঞ্চায়েতের প্রধান পার্থ ঘোষ। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “ছেলেটি পতিরাম পঞ্চায়েতের একটি বুথের বিজেপির নিকট আত্মীয়। সে হঠাৎ করে আমার নাম কেন বলবে? আমি মনে করি এটা সম্পূর্ণ বিজেপির চক্রান্ত। বিজেপি এইসব করিয়ে তৃণমূলের নাম জড়ানোর চেষ্টা করছে। সামনে বিধানসভা ভোট রয়েছে, এর পিছনে আরও কিছু আছে কিনা খোঁজ নিতে হবে।” তাঁর দাবি, রাজনৈতিকভাবে তাঁকে জড়ানোর জন্যই ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর নাম ব্যবহার করা হয়েছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। পুলিশি তদন্তে আসল সত্য সামনে আসবে বলেই প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।
প্রধান আর লিখিত কমপ্লেন করে নি।
তবে আটক ছেলেটি মুচলেকা দিয়েছে, সে ভুল করে করেছে এবং সেখানে বাঁচার জন্য প্রধানের নাম নিয়েছিল, সে আর এইরকম করবে না।












Leave a Reply