
মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা :- বাংলা-বিহার নাকা চেক পয়েন্ট গুলিতে নিরাপত্তা এবং নজরদারির দায়িত্বে শুধুমাত্র সিভিক ভলেন্টিয়াররা।অবাধে চলছে মদ পাচার।বাড়ছে দুষ্কৃতী এবং সমাজবিরোধীদের আনাগোনা।বিঘ্নিত হচ্ছে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা এবং নিরাপত্তা। সাথে এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে ছেলে ধরা আতঙ্ক।ভোটের প্রাক্কালে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বড় প্রশ্ন? টাকার বিনিময়ে সব হচ্ছে অভিযোগ বিজেপির। অন্যদিকে বিজেপির বিরুদ্ধে পাল্টা সরব তৃণমূল। মালদা জেলা জুড়ে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ। পুলিশ সুপারের তৎপরতায় মিলছে একের পর এক সাফল্য। কিন্তু এই আবহেই হরিশ্চন্দ্রপুর থানার একাধিক জায়গায় যেমন সাতমুনিয়া, ভেলাবাড়ি, কুশিদা বাংলা-বিহার নাকা চেক পয়েন্টের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে।কারণ নাকা চেকপয়েন্ট গুলোতে নজরদারিতে থাকছে শুধুমাত্র সিভিক ভলেন্টিয়াররা। কারা আসছে কারা যাচ্ছে। কি নিয়ে আসছে? কি নিয়ে যাচ্ছে? নেই কোন নজর। সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের অভিযোগ বিহারে মদ নিষিদ্ধ থাকার কারণে বিহার থেকে বহু মানুষ এখানে আসছে মদ খেতে।মদ্যপ অবস্থায় এলাকায় ঝামেলা করছে।সাথে চলছে বিহারে মদ পাচার।এলাকার মানুষরা আতঙ্কে থাকছে। মহিলাদের নিরাপত্তা থাকছে না। দুষ্কৃতি সমাজবিরোধীরা আনাগোনা চলছে এলাকায়। সাথে বাংলা সংলগ্ন বিহারের কাটিহার এলাকায় শিশুদের অপহরণের ঘটনা ঘটছে।ওই দিকে জারি হয়েছে হাই এলার্ট।এই পরিস্থিতিতে বাংলার সীমান্তবর্তী এলাকা গুলিতেও ছেলে ধরা আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এলাকার মানুষের দাবি শুধু সিভিক না দিয়ে পর্যাপ্ত পুলিশি নজরদারি চলুক।বিহারের মধ্যপায়ীদের দাপাদাপি বন্ধ হোক। বিজেপির অভিযোগ পর্যাপ্ত পুলিশ নেই। সামনে নির্বাচনের তৃণমূল দুষ্কৃতীদের আনছে। মোটা টাকার কারবার চলছে। পাল্টা তৃণমূলের দাবি এখানে পুলিশ প্রশাসন সক্রিয়। বিজেপি শাসিত বিহার থেকে বাংলাকে অশান্ত করার জন্য দুষ্কৃতি পাঠাচ্ছে বিজেপি। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।












Leave a Reply