অনন্যার গল্প : মহীতোষ গায়েন।

Oplus_131072

যে মেয়েটা নিষ্পাপ এক,মিষ্টি মুখের সরল হাসি…
মায়াবী চোখ,সে কিশোরী পড়লো হঠাৎ প্রেমের ফাঁদে,
ভালোবেসে শরীর ছুঁয়ে ছেলেটি;অদ্ভুত সে দিল ফাঁকি,
শোকে পাথর হতাশ মেয়ে,ফুল,পাখি,আকাশ কাঁদে।

ষোলো বছরের সেই কিশোরী হঠাৎ করেই পিতৃহারা
শরীর মনে ভীষণ ট্রমা,পিতৃসম শিক্ষক রক্ষা করে,
এর মধ্যেই মেধা মনন কিছুই তার যায়নি থেমে,সে
আশ্রয়ে,বিবাহিত মুক্তিদাতা হাতও ধরে শরীর ধরে।

কিশোরী তবু তীব্র অনড়,দুমড়ে মুচড়ে যায় নি মনে
একে একে উচ্চ শিক্ষা,নেট সেট ও জেআরএফও,
হতভাগ্যা মেয়েটি কিশোরী থেকে যুবতী হলো,নিজ
চেষ্টায় অবশেষে কর্মক্ষেত্র পেল,চলছিল ছন্দ তালও।

ঝড়ঝাপটা সামলে যে মেয়েটার যশ ও খ্যাতি বাড়লো
শয়তানদের হলো না সহ্য,মিথ্যাচার আর বদনাম এল-
মুখোশধারী জানোয়ারদের সহ্য হলনা তার সে ভালো,
ভয় দেখিয়ে,লবি করিয়ে,শরীরের প্রতি নজরও দিল।

যা হওয়ার তাই,নিষ্পাপ এক প্রবিত্রতার কর্ম গেল
এভাবে প্রায় বছর দেড়েক,মনের মধ্যে যন্ত্রণা জমে-
অনেকেই আশ্বাস দিল, ফলাফল তার শুধুই শূন্য,
দিশেহারা সেই মেয়েটি যন্ত্রণা তার কিভাবে কমে।

অস্থিরতা গ্রাস করলো,হঠাৎ পরিচয় এক স্যারের সাথে,বাউন্ডুলে,সরলমনা,তার কাছেতে সবই বলা,
অসময়ে তারই বা কি করার ছিল,তার মনেতেও ঠাঁই পেল সে যন্ত্রণা,সে আশ্বাসে নতুন করে পথ চলা।

সাধারণ নয় সেই মেয়েটি, রূপে লক্ষ্মী,গুণে সরস্বতী
দীপ্তি তার উজ্জ্বলতার,স্যারটি তার ব্যথা নিল মনে,
মাথায় নিল সে যন্ত্রণা,এখন লড়াই আর একবার নয়
সঙ্গে তার শুভাকাঙ্ক্ষী, নিঃস্বার্থ ভালোবাসার বনে।

সুময়য় তার আসবেই, দু’জনের এখন একই স্বপ্ন…
অঙ্গীকার,অধ্যয়ন আর দিশার জন্য মাতোয়ারা,
সেই মেয়েটি নয় সাধারণ,অসাধারণ অনন্যা সে…
মঙ্গলময় ঈশ্বর ভালো করুন,স্যারের শুধু সে প্রার্থনা।

অনন্যার স্বস্তি ফিরুক,প্রতিষ্ঠিত হোক জীবনে অনন্যা,
তার নিয়তি খণ্ড খণ্ড করলো যারা;অগ্নি ও কুশান্তিকা,
পশুদের যেন শাস্তি হয়,আসুক নব আলোর দিশা;সে
অঙ্গীকারে তার শুভাকাঙ্ক্ষী,এ-সংগ্রামে নয় সে একা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *