পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- মমতা ব্যানার্জি বুঝতেও পারেননি যে এমন দিনটাও আসবে, দিব্যি লুটপাট করে চালাচ্ছিলেন খাচ্ছিলেন, পার্টিটাও চলছিল শ শ কোটি টাকা কামিয়েছে পার্টির লোকেরা কিন্তু পেছনে লেগে যাবে ,ইডি সিবিআই পেছনে লেগে যাবে আর সমস্ত সত্য সামনে চলে আসবে,তার ফলে পার্টি সরকার সব টলমলে হয়ে গেছে, সোমবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর শহরে চা চকলেট যোগ দিয়ে এমনটাই মন্তব্য করলেন মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সংসদ দিলীপ ঘোষ, পাশাপাশি তিনি আরো বলেন মমতা ব্যানার্জির ধৈর্যের চূ্তী করছে ভয় পেয়ে গেছেন, এখন চোর ধরা পড়ে গেছে। তাদের থেকে নিজেকে কোথায় আলাদা করবেন যে চোর ধরেছে তার দিকেই চোখ দেখাচ্ছে,আইন তো কারো কথা শুনবে না,আইন আইনের পথে চলছে সব সামনে আসবেই আপনি আগে যদি চুরি হওয়া গুলো আটকাতেন তাহলে এটা দেখতে হতো না, পাশাপাশি গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব নিয়ে তিনি বলেন টিএমসির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কোন নতুন ঘটনা নয়,যত সমাজবিরোধী টিএমসি পার্টিটাকে চালাচ্ছে। সরকারি প্রকল্পের টাকা সাধারণ মানুষের টাকা কাঠ মানি লুট করে ভাগ বেটারা কমবেশি হল নেতার সাথে বনিবনা হলো না তখনই বোম বন্দুক দিয়ে সাধারণ মানুষ এতে খুব পীড়িত ভয়ের মধ্যে আছে, মানুষের জীবন অষ্টগত হয়ে পড়েছে। মমতা ব্যানার্জি পার্টি আর নেতা বাঁচাতে ব্যস্ত সরকারে মন নেই সমস্ত ডিপার্টমেন্ট হেডলা ভেঙে পড়ছে, প্রশাসন নৃত্য নিয়মিত অন্য রাজ্য থেকে এসে দুষ্কৃতিকারীরা সমাজবিরোধীরা গ্যাংস্টাররা এখানে সোয়েটার নিচ্ছে। অন্য জায়গা থেকে লোককে তুলে নিয়ে সেখানে লুকিয়ে রেখেছে। বাচ্চাদের তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। মহিলাদের উপর অত্যাচার হচ্ছে লাগাতার। প্রশাসনের উপর কারো কোন কন্ট্রোল নেই তাই এইসব ঘটনা ঘটছে,
যার মুখে কালি লেগে আছে, তিনি সবসময় কালই দেখেন, পাশাপাশি গতকাল দিলীপ ঘোষ এবং শুভেন্দু অধিকারীর ছবিতে মাল্য দান করে তর্পণ করেছেন মদন মিত্র। সেই বিষয় নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন মদন মিত্রের যা পরিস্থিতি আসছে এই না হলে সেই না হলে শেষ পর্যন্ত তিনি কি করবেন বিদ্যাসাগর সেতু থেকে গঙ্গায় ঝাঁপ দেবেন। উনার একটাই রাস্তা খোলা আছে। খুবই দুঃখের বিষয় যেসব মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরা শিক্ষার জগতকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য পড়াশোনা করেছেন পরীক্ষা দিয়েছেন পাস করেছেন সংকল্প নিয়েছেন তারা স্কুলের বাইরে। তাদের হাতে চকডাস্টার নেই তারা প্রাকার হাতে রাস্তার ধারে বসে আছে এবং চাকরি কবে পাবেন তার দিন গুনছেন এই যদি যুব সমাজের ভবিষ্যৎ হয় তাহলে আমরা সমাজের ভবিষ্যৎ আর বাংলার ভবিষ্যৎ বুঝতে পারছি তাও আমি বলব আপনারা আপনাদের লড়াইয়ের জন্য সংঘর্ষ করছেন তাকে আমরা স্যালুট করি তবুও আমি আবেদন করব আপনারা কমপক্ষে পুজোর সময় বাড়িতে যান আপনাদের আত্মীয়-স্বজন আপনাদের দেখতে চান লড়াই নিশ্চয়ই থাকবে এই লড়াই সঙ্গে আমরাও আছি আপনাদের ন্যায় পাওয়ার অধিকার আছে। কিন্তু পুজোর সময় আপনার রাস্তার ধারে বসে থাকবেন এটা সবার পক্ষে দুঃখ এবং লজ্জার। বাড়ির লোকেরা চিন্তায় থাকবেন বাবা-মার আর চিন্তায় আছেন কমপক্ষে পুজো কদিন বাড়িতে থাকুন আবার নতুন করে আন্দোলন শুরু করুন আমরা সঙ্গে আছি
যেমন শিক্ষা বিভাগের চলছে একাধিক ডিপার্টমেন্টের শিক্ষক-শিক্ষিকারা দীর্ঘদিন ধরে ঝরনা অবস্থান করছেন সেরকম স্বাস্থ্য বিভাগের ডাক্তাররা কর্মবিরোধী করছেন জুনিয়র ডাক্তাররা নার্সরা এখন অস্থায়ী কর্মীরা বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের লোকেরা যোগ্য বেতন পাচ্ছেন না ডিএ পারছেন না স্থায়ীকরণ হচ্ছে না হাতে অ্যাপার্টমেন্ট লেটার নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন চাকরি পাচ্ছেন না পুলিশকর্মীরা এই যে একটা ভয়াবহ অবস্থা তৈরি হয়েছে, মমতা ব্যানার্জি অযোগ্যতার জন্য হয়েছে ১২ বছর ধরে টাকা লুট করো সরকার চালাও টাকা দিয়ে ভোট কিনে সরকারে আসো। এর থেকে বেশি কিছু তিনি করেননি। এডমিনিস্ট্রেশন চালানো আসে না বিরোধিতা উনি করতে পারেন এখন এই করতে গিয়ে লোককে ভুলিয়ে রেখেছিলেন যে ধরনের লুটপাট হয়েছে আর প্রশাসনের যে ধরনের অযোগ্যতা তৈরি হয়েছে, সমস্ত ডিপার্টমেন্টে কর্মীর অভাব একজন দুজন ক্লার্ক টিচার যারা আছেন সরকারি স্কুলে দুবছর তিন বছর তাদের ডিএ লিস্ট বাকি পুরো সাদা খাতা আছে বুঝতে পারছে না দু বছর পরে রিটায়ারমেন্ট হবে। তারা বুঝতে পারছেন না তাদের ডিএ কি হবে এরিয়ার কি হবে সমস্ত কিছু বাকি পড়ে আছে। দু বছর তিন বছর লেগে যাচ্ছে পেনশন বাড়ছে না তারা সুইসাইড করছে। এই ভয়াবহ অবস্থা কেন এক তো কর্মচারী নিয়োগ হচ্ছে না যারা কর্মচারী আছেন তারা দুয়ারে সরকার কোথায় লক্ষী ভান্ডার করতে ব্যস্ত কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ নীতি ও তাদের চাকরির ব্যাপারটা দেখার লোক নেই
আমি বলেছিলাম বাঁশ কেটে রাখুন কারুর যদি মার খাওয়ার শখ হয় সেই শখ আমরা পূরণ করব অনেক বীর দেখেছি আমরা কাল পুলিশ না থাকলে লোকে জামা কাপড় খুলে নেবে এটা বোঝা যাচ্ছে না দেখতে পাচ্ছেন না পার্থবাবুর কি অবস্থা এত টাকা কামিয়ে ভেতরে গেলে সবাই ভুলে গেল ওকে। পুজোর সময় জেলে থাকতে হচ্ছে। আপনারা ঠিক করুন আগামী দিনে কোথায় থাকবে,এই ধরনের ঘটনা ছোটখাটো হামেশাই ঘটছে অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের উপরে কারুর কোনো নজর নেই তার উপরে যারা কাজ করছে তাদের কোন দায় দায়িত্ব নেই পুজো এসে গেল ছোট রাস্তা সব ভাঙ্গা গত বছর পূজো ভেঙেছে এখনো সারানো হয়নি। রাস্তা বানানো টাকা নেই কেন ছাড়াই হচ্ছে না নাকি টাকা নেই,কংগ্রেস না পার্টি চালাতে পারছে না সরকার চালাতে পারছে? এটা ওদের দোষ ওরা যদি সরকার চালাতে না পারে লোকে ভোট দিয়ে ওদেরকে মেজোরিটি দিয়েছে। পাঁচ বছর যদি ওরা সরকার না চালতে পারে সেটা ওদের অযোগ্যতা, তোর স্বাভাবিকভাবে যারা বিরোধী আছে তাদের দায়িত্ব মানুষকে স্থায়ী সরকার দেওয়া যাতে পাঁচ বছর মানুষ পরিষেবা পায়, আর মানুষ সেটাই পাবে।দুর্গাপূজায় নিজের লোক না হলে অনুমতি পাবে না। বিসর্জনের অনুমতি নিয়ে টালবাহানা হয় হাইকোর্ট যেতে হয় পুজো করার জন্য হাইকোর্ট যেতে হয়। এদিকে তিনি বলছেন দূর্গা পুজোকে তিনি ইউনিসকে পৌঁছে দিয়েছেন সাধারণ মানুষের ইচ্ছাকে সম্মান দিয়ে কমপক্ষে লোককে পুজো করার অধিকার দিন লোকে টাকা চাইছে না। আপনি জোর করে টাকা দিচ্ছেন সবাইকে কিনে নিতে চাইছেন আপনি চাইছেন সবাই আপনার পায়ে পড়ুক। এটা হবে না বাংলার সংস্কৃতি আলাদা আপনি নিজেকে তার প্রতিনিধি ভাবতে পারেন না আপনি আজ আছেন কাল থাকবেন না।।
খড়গপুর শহরে চা চক্রে যোগ দিয়ে একাধিক প্রসঙ্গ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা দিলীপ ঘোষের।












Leave a Reply