জলপাইগুড়ি, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- শত সহস্র প্রাণের বিনিময়ে আসমুদ্রহিমাচল স্বাধীনতার যে সূর্য উদিত হয়েছিল এখনও তাদের মধ্যে অনেকেই উপেক্ষিত রয়ে গেছেন ইতিহাসের পাতায়। আর এমনই একজন অগ্নিযুগের অগ্নিবীর বীরেন্দ্রনাথ দত্তগুপ্ত। বীরেন্দ্রনাথ মাত্র একুশ বছর বয়সে ফাঁসির মঞ্চে শহীদ হয়েছিলেন। ঢাকায় জন্ম হলেও তার কৈশোরের ছাত্রাবস্থার কয়েকটি বৎসর কেটেছিল উত্তরবঙ্গের বিভাগীয় শহর জলপাইগুড়িতে। জলপাইগুড়ি জিলা স্কুলের ছাত্র ছিলেন তিনি। এখানেই তিনি স্বদেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন। ১৯১০ সালে তিনি কলকাতা হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে পুলিশের ডি এস পি সামসুুল আলমকে হত্যা করেন। বিচারে তার ফাঁসি হয়। তাঁকে কালিমালিপ্ত করার জন্য ইংরেজ পুলিশ গভীর ষড়যন্ত্রে সামিল হয়েছিল। সেই মিথ্যা কুতসা ও তমসার চাদর সরিয়ে বীরেন্দ্রনাথের সংগ্রামমুখর জীবনকাহিনিকে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে বীর বীরেন্দ্র নামক গ্রন্থে। উপযুক্ত নথিপত্র, প্রামাণ্য দলিল, সমসাময়িক বিপ্লবীদের লেখা চিঠি ও জাতীয় অভিলেখ্যাগার থেকে সংগৃহীত দলিল দস্তাবেজের ভিত্তিতে নির্মোহ তথ্যের আলোয় নির্মিত হয়েছে বিপ্লবী নায়কের অগ্নিময় জীবন আখ্যান “বীর বীরেন্দ্র”।এই সেই সমস্ত বই লেখছেন জেলা স্কুলের শিক্ষক অরুপ কৃঞ ঘোষ। কয়েক মাস ধরেই তিনি কঠিন পরিশ্রম করে সঠিক তথ্য এনেই এই শহীদকে সরণ করে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই এই মূল্যবান বইটি প্রকাশ হবে হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
জলপাইগুড়ির প্রথম শহীদের বিষয়ে বইহতে চলেছে, যার রুপ দিচ্ছে জেলা স্কুলের শিক্ষক।












Leave a Reply