আহত যুবকের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে কোচবিহারে এসে আর্থিক সাহায্য দিলেন ফালাকাটা গ্রামীণ ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ-সভাপতি জাবেদুল আলম।

কোচবিহার, নিজস্ব সংবাদদাতা: পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে কোচবিহারের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ফালাকাটার এক যুবক। ওই অসহায় যুবকের চিকিৎসার জন্য আর্থিকভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল ফালাকাটা গ্রামীণ তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ সভাপতি জাবেদুল আলম সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতৃত্বরা। এদিন তারা ফালাকাটা থেকে অসহায় যুবককে ও তার পরিবারকে সাহায্য করতে কোচবিহারে আসেন। সেখানে এসে ওই বেসরকারি নার্সিংহোমে আহত যুবকের সাথে দেখা করেন এবং পরিবারের লোকের হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দেন।

জানা গেছে,গত এক মাস আগে ফালাকাটা লোকমান ডাবরী এলাকায় লাদেন হোসেন নামে ফালাকাটা এলাকার এক যুবক বাইকে করে বাড়ি যাওয়ার সময় সজোরে গেছে ধাক্কা মারে। সেখান তিনি মাথায় গুরুতর আহত পান। পরে তাকে কোচবিহারের ওই বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয় যুবককে। এক মাসে প্রায় ছয় লক্ষ টাকা খরচ করে সর্বস্বান্ত হয়ে যান ওই যুবকের পরিবার। সেই যুবকের অসহায় অবস্থার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয় এবং আর্থিকভাবে সাহায্য চাওয়া হয়। সেই সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট দেখেন ফালাকাটা গ্রামীণ তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ-সভাপতি জাবেদুল আলম। আজ সুদূর ফালাকাটা থেকে কোচবিহারের বেসরকারি নার্সিংহোমে এসে আহত যুবকের পরিবারের কাছে আর্থিক সাহায্য তুলে দেন ফালাকাটা গ্রামীণ ব্লকের তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ সভাপতি জাবেদুল আলম সহ অন্যান্য তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বরা।

এদিন এ বিষয়ে ফালাকাটা গ্রামীণ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি জাবেদুল আলম বলেন, ফালাকাটা লোকমান ডাববী এলাকায় পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়। আর সেই যুবকের গুরুতর আহতের কথা আমি ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানতে পারি। সেখানে যে ওই পোস্টটি করেছে তার সঙ্গে যোগাযোগ করি। সাহায্যে আহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলি এবং আজকে বিহারে এসে ওই যুবকের সঙ্গে দেখা করি এবং পরিবারের লোকের সঙ্গে দেখা করি। পরে ওই আহত যুবকের পরিবারের হাতে আর্থিক সাহায্য করি। অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো অসহায় যুবকের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে আমিও তার পাশে এসে দাঁড়ালাম এবং আর্থিক সাহায্য করলাম। আগামীতে যদি ওই যুবকের আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয় আমি তখন সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেব।

আহত যুবকের কাকা মোস্তফা হক বলেন, গত এক মাস ধরে এই নার্সিংহোমে ভাইপোর চিকিৎসা করছি। এক মাসে প্রায় ছয় লক্ষ টাকার মতো খরচ হয়ে গিয়েছে। যেহেতু আমরা গরীব মানুষ এতটা এত টাকা কোথায় পাব। তাই বিভিন্ন সংগঠন ও বিভিন্ন দলের কাছে আমরা আর্থিক সাহায্য চেয়েছি সোশ্যাল মিডিয়ায় আমায় ভাইপোর ছবি পোস্ট করে। পরে ফালাকাটা থেকে জাবিদুল ভাই সেই পোস্ট দেখে আমাদের আর্থিকভাবে সাহায্য করেন। আমরা আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ জানাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *