নিশংসভাবে মারধর করা হচ্ছে এক শিক্ষককে,ছবি ভাইরাল হতেই শোরগোল চন্দ্রকোনায়।

পশ্চিম মেদিনীপুরब, নিজস্ব সংবাদদাতা:- নিশংসভাবে মারধর করা হচ্ছে এক শিক্ষককে। দড়ি দিয়ে বেঁধে শিক্ষককে মার বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরেই এই ঘটনা মারধরের ছবি ভাইরাল।দিতে হবে আট লক্ষ টাকা জরিমানা,তাতেও রেহাই নেই, মাথা ফেটে ঝরছে রক্ত, মোটা দড়ি গিয়ে গাছের সাথে হাত পা বাঁধা। তার উপরে চলছে এলোপাথারি মারধর, কেউ তো আবার মারতে মারতে বলছে “তোকে তো মেরে দেবো বলে ভেবেছিলাম”। মারের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করছে অনেকেই, ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে প্রচুর মানুষ জমায়েত কিন্তু কেউ এগিয়ে আসলো না, প্রশাসনের কাছেও খবর পৌঁছায়নি। এমনই ভাবে মারধর করা হচ্ছে এক শিক্ষককে। আর সেই ভিডিও এখন অনেকের মোবাইলে ক্যামেরা বন্দি হয়ে ঘোরাঘুরি করছে। তারপরেও নিশ্চুপ প্রশাসন, তাদের কাছে খবর নেই এমনই জানাচ্ছেন তারা। এই ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা দু নম্বর ব্লকের, শ্রীরামপুর গ্রামে, স্থানীয় সূত্রে খবর শ্রীরামপুর গ্রামের এক, কলেজ ছাত্রীর সাথে কেশপুর থানার নেড়াদেউলের এক স্কুল শিক্ষক প্রনয়ের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে, শিক্ষক বিবাহিত বলে জানা যায়, কয়েক দিন আগে শিক্ষক শ্রীরামপুরে ওই প্রেমিকের সাথে দেখা করতে আসে তখনই শিক্ষককে ধরে ফলে মেয়ের বাড়ির পরিবারের সদস্যরা, তারপরই চলে নৃশংস ভাবে মারধর। বসে সালিশি সভা, সালিশি সভাতে দিতাম দেওয়া হয় ৮ লক্ষ টাকা দিতে হবে,তারপরেও এলোপাথারি মারধর চলে শিক্ষকের উপর। এবং সেই ভিডিও ভাইরাল হয়। সমস্ত ভিডিও মোবাইলে মোবাইলে রেকর্ডিং করেছ উপস্থিত অনেকেই,যা এখন ভাইরাল ।যদিও এই ঘটনায় আহত হয়ে, প্রেমিক তথা শিক্ষক, আশঙ্কাজনক অবস্থায় পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।ভয়ে ক্যামেরার সামনে মুখ খুলতে চাচ্ছেন না কেউ, কিন্তু কিসের ভয়? অনেকেই বলছেন এই ঘটনা সঙ্গে জড়িত রয়েছে শাসকদলের স্থানীয় কিছু নেতা ও গ্রামের বেশ কিছু মাতব্বর, যাদের ভয়ে অথষ্ঠ হয়ে তাকে এলাকাবাসী। কিন্তু পুলিশ প্রশাসনে কিছু করছে না কেন? উঠছে প্রশ্ন। যদিও চন্দ্রকোনা থানার পুলিশ সূত্রে খবর, এখনো কেউ লিখিত অভিযোগই দায়ের করেনি।ঘটনায় যথেষ্ট শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা এলাকায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *