সাপের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কিত যখন ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষরা ঠিক তখন কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে হাসুয়া নিয়ে ওয়ার্ডে বেরিয়ে পড়লেন কালিয়াগঞ্জের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলর গৌরাঙ্গ দাস।

উঃ দিনাজপুর, রাধারানী হালদারঃ-সাপের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কিত যখন ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষরা ঠিক তখন কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে হাসুয়া নিয়ে ওয়ার্ডে বেরিয়ে পড়লেন কালিয়াগঞ্জের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলর গৌরাঙ্গ দাস। তার বক্তব্য 10 নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন জায়গায় এতটাই জঙ্গল যে বলার আর অপেক্ষা রাখে না যখন তখন বিষধর সাপ বেরিয়ে পড়ছে ফলে সাধারণ মানুষরা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। জঙ্গল সাফাই দীর্ঘদিন ধরে হচ্ছে না। তাই তিনি নিজেই এবার হাসোয়া নিয়ে বেরিয়ে পড়ে জঙ্গল পরিষ্কার করতে নেমে পড়লেন কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে। যদিও বিজেপি কাউন্সিলারের এখনো উদ্যোগকে কটাক্ষ করে কালিয়াগঞ্জ পৌরসভার পৌরপতি রাম নিবাস সাহা বলেন গৌরাঙ্গ বাবু মাঝেমধ্যেই নাটক করার জন্য এরকম কিছু করেন মিডিয়াতে মুখ দেখানোর জন্য। এর কোনো ভিত্তি নেই। পৌরসভা থেকে সাফাই কর্মীরা বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে গিয়ে প্রতিনিয়ত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করছে। যদিও প্রোর প্রতি সঙ্গে একমত নন বিজেপি কাউন্সিলর গৌরাঙ্গ বাবু। তার বক্তব্য পৌরপতি জেগে ঘুমাচ্ছেন। অথচ ওয়ার্ড বাসিরা কেমন রয়েছেন তা তিনি খোঁজ রাখছেন না। তাই ১০ নম্বর ওয়ার্ডে কোনদিনও সাফাই কর্মীরা আসেন না জঙ্গল পরিষ্কার করতে। গৌরাঙ্গ বাবু বলেন এই ওয়ার্ডের বিভিন্ন জায়গায় এতটা জঙ্গল হয়ে রয়েছে যে বলার আর অপেক্ষা রাখে না। মাঝে মাঝে বিষধর সাপ বেরিয়ে পড়ছে বিভিন্ন জায়গায় । রাস্তাঘাটে চলাফেরা করা দায় হয়ে গিয়েছে সাধারণ মানুষদের। খুব আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে এখানকার মানুষ। পাশাপাশি গৌরাঙ্গ বাবু বলেন এই বর্ষাকালে জঙ্গল বেশি থাকায় মশার উপদ্রব বেড়ে গিয়েছে ফলে ডেঙ্গুর আতঙ্ক সবসময় রয়েছে সাধারণ মানুষদের মধ্যে। তাই পৌরসভা থেকে যখন পরিষ্কার হচ্ছে না ওয়ার্ড তখন তিনি নিরুপায় হয়ে নিজেই হাসুয়া নিয়ে বেরিয়ে বললেন ওয়ার্ডের জঙ্গল পরিষ্কার করতে। যদিও কালিয়াগঞ্জ পৌরসভার পৌরপতি বলেন গৌরাঙ্গবাবুর সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা বলছেন উনি সব সময় মিডিয়ায় আসতে ভালোবাসেন। ওয়ার্ড বাসিরা থাকে দায়িত্ব দিয়েছে কাউন্সিলরের তাই কাউন্সিলর হিসেবে তিনি যেটা করেছেন সেটা তার দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। এরকম আমিও বিভিন্ন জায়গায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করি। তবে যাই হোক না কেন ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষরা কিন্তু বলছেন এই ওয়ার্ডে জঙ্গল বেশি হয়ে গিয়েছে তাই পরিষ্কার করা খুবই দরকার। সব সময় সাপের আতঙ্কে তাদের থাকতে হচ্ছে। বড় বড় বিষধর সাপ যেকোনো সময় বেরিয়ে পড়ছে। কিন্তু কিছু করার নেই। তবে এর মধ্যে হাসুয়া নিয়ে বেরিয়ে পড়ে ওয়ার্ডের জঙ্গল যতটুকুই তিনি কাটলেন কাউন্সিলর গৌরাঙ্গ দাস তার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ্ জানাতে ও ভুলেন নি ওয়ার্ডবাসীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *