
নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:- আন্তর্জাতিক নারী দিবস শুধুই কি আবেগ আর সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চিত বিষয়! নাকি উপলব্ধি, মহানুভবতা বাস্তবিক শ্রদ্ধা জানানোর?
বর্তমানে বেশকিছু ইংরেজি শব্দের মতো ওমেন্স ডেও তার গুরুত্ব হারিয়েছে. অথচ ১৯০৮ সালে নিউইয়র্কের রাস্তায় নেমে কর্মের সময়সীমা আধঘন্টা কমানো বেতন বৃদ্ধি সহ ভোটের অধিকারের দাবিতে আন্দোলনের স্বীকৃতি লাভ হিসাবে সোসালিস্ট পার্টি অফ আমেরিকার পক্ষ থেকে প্রথম নারী দিবস ঘোষিত হয়। অস্ট্রিয়া ডেনমার্ক জার্মানি সুইজারল্যান্ড পবিত্র দেশগুলোতে প্রথমের দিকে পালিত হলেও আনুষ্ঠানিক রুপায় ১৯৭৫ সালে জাতিসংঘ উদযাপন করতে শুরু করে ।২০১১ সালে শতবর্ষ পালনের পর এখন বিশ্বের সকল দেশেই আজকের দিনে নানান আলোচনা সেমিনার হয়ে থাকে।
তবে আজকের দিনে দাঁড়িয়েও বেশ কিছু ক্ষেত্রে স্থানভেদে নারীরা অত্যাচারিত অবহেলিত অন্যদিকে বিভিন্ন সংরক্ষণ এবং আইনের অপব্যবহারেরও কথা উঠে আসে মাঝেমধ্যেই সংবাদমাধ্যমে।
তবে পালনীয় দিন হোক শ্রদ্ধার বাস্তবে দরকার নারীদের প্রতি সম্মান। অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করে
নদীয়ার রানাঘাট তৃণমূলের পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ল্ড কাউন্সিলর বিশিষ্ট সমাজসেবী বিজন সরকারের উদ্যোগে কুমুদনগর নাসরা বটতলায় ওয়ার্ডে। প্রায় ২৬১ জন পরিচারিকার কাজ করেন এমন মহিলাদের সংবর্ধনার ব্যবস্থা করা হয়। তাদের নিয়ে আলোচিত হয় এক সভার যেখানে তাদের নিজস্ব অধিকার সম্পর্কে সচেতন করা হয় এবং বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রানাঘাট পৌরসভার চেয়ারম্যান কোশলদেব বন্দ্যোপাধ্যায়, ভাইস চেয়ারম্যান আনন্দ দে, বিশিষ্ট চিকিৎসক এবং সমাজসেবী ডঃ অতীন্দ্র নাথ মন্ডল সহ বহু বিশিষ্টজন।
অন্যদিকে সংবর্ধনা পেয়ে পরিপরিচারিকারা জানান তারা অত্যন্ত খুশি কারণ এ ধরনের সংবর্ধনা প্রাপ্তি হবে তা কখনো ভাবেননি তারা।












Leave a Reply