
যাবি আমার সাথে চলে আয় লুকোচুরি খেলবো-
জানিস আজ আর কেউ বকবেনা তোকে, আমাকে আয় না-চলে আয়- দেরি করিস না।
তুই কে? মনে পড়ছে না তো-
ভুলে গেছি সব, দৃষ্টি ক্ষীণ শ্রবণশক্তিহীন,
ক্ষণের জন্য সব মনে পড়ে, মনে পড়লে চিনতে পারবো তখন না হয় যাবো,
আমি তো তখন সব ভুলে যাবো তুই এখন না এলে-
পাকা কেশ পড়ছে ঝরে দাঁত নেই একটাও দৃষ্টিও ক্ষীণ,
হাতে লাঠি ভালো করে ধরে হাঁটতে পারিস না,
সবসময় পেটে ক্ষিদে থাকে তাই না বল-
আধপেটা খেতে দেয় সেও ভাঙা এক থালায়,
এটাকে কি বেঁচে থাকা বলে? ভীষণ কষ্ট এই ভাবে বেঁচে থাকতে।
বলতে পারবি বৃদ্ধ হলে কেনো এই রকম আচরণ করে? যখন জোয়ান কাল ছিলো তখন তো আমরা এই রকম আচরণ করিনি,
যাগ্গে চলে আয় আমি সব ভুলে যাবো।
আমার মতো তোর ঘুমোবার জায়গাতে ইঁদুর লুকোচুরি খেলে না?
ঘুম ভেঙে যায় তাই না বল? মাঝ রাতে বসে থাকতে হয়-
ভোরে চা খেতে দেয় তকে? না রে- তুই চা খেতে ভালোবাসতি সেটাও এখন জোটে না তাই না বল?
সেই তো চলে এলো প্রথম বেলার সুরু,
শাসন আর শাসন এটা করো না ওটা করো না
এ– বাবা এটা ভেঙে ফেললে বলছি না সাবধানে চলবে বলেই গায়ে হাত তোলে ভীষণ ব্যথা করে রে—
এতো দামি জিনিসটা ভেঙে ফেললে? এই সব আর শুনতে হবে না আমার সাথে আয় শান্তি পাবি।
ওই যে– নদী, দেখেছিস? না তো কোথায়
আমার হাত ধর ওপাড়ে যাবো নৌকো করে
তোর আমার মতো কত– সাথি,
খেলবো আয় শান্তির খেলা-
কারোর গলগ্রহ হতে হবে না, কেউ বোকবেনা পড়তে বসা নেই, দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার নেই মানা-
ভয় পাচ্ছিস?
এখন না আসলে পরে পারবি তো এই মঞ্চে
অভিনয় করতে?
বড্ড কঠিন কিন্তু- ভেবে দেখ-
লাঠি নিয়েই দাঁড়াতে পারিস না কী করে অভিনয় করবি?
আয় অনেক কাঠ কুড়িয়েছি চড়ুইভাতি করবো কত আনন্দ দেখবি আয় না চলে বলছি তো কেউ বোকবেনা—-












Leave a Reply