
মুর্শিদাবাদ, নিজস্ব সংবাদদাতা:- উড়িষ্যায় কাজ করতে গিয়ে খুন হওয়া মুর্শিদাবাদ জেলার সুতি থানার চক বাহাদুরপুর এলাকার যুবক জুয়েল রানার নিথর মৃতদেহ আজ বাড়িতে পৌঁছাতেই শোকের ছায়া নেমে আসে গোটা এলাকায়। মৃতদেহ গ্রামে ঢুকতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন বাবা-মা, আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরা। এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সাক্ষী থাকে গোটা গ্রাম।
মৃত জুয়েল রানার বয়স মাত্র ২০ বছর। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রাজমিস্ত্রির কাজের জন্য মাত্র পাঁচ দিন আগে তিনি বাড়ি ছেড়ে উড়িষ্যার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। কিন্তু কাজের জায়গায় গিয়ে গত বুধবার রাতে তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের। বৃহস্পতিবার মৃতদেহ নিয়ে উড়িষ্যা থেকে রওনা দেয় প্রশাসন, এবং আজ তা পৌঁছায় তাঁর বাড়িতে।
জুয়েল ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য। তাঁর আয়ে নির্ভর করেই চলত গোটা সংসার। হঠাৎ এই মর্মান্তিক ঘটনায় পরিবার কার্যত দিশেহারা। মৃতদেহ আসার খবর ছড়িয়ে পড়তেই শতাধিক মানুষ জুয়েলের বাড়িতে ভিড় জমায়। শোকের পাশাপাশি ক্ষোভও প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীদের অভিযোগ, ভিন রাজ্যে কাজ করতে যাওয়া পরিযায়ী শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠলেও বাস্তবে কোনও স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। পরিবারের দাবি, জুয়েল রানার খুনের ঘটনায় দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।
এক তরতাজা যুবকের এভাবে মৃত্যুতে আজ স্তব্ধ সুতির চক বাহাদুরপুর—শোক, কান্না আর অনিশ্চয়তার মাঝে দাঁড়িয়ে রয়েছে জুয়েল রানার পরিবার।












Leave a Reply