
তখন লেলিনগড়ের রাত্রির আকাশ জোৎস্নাময়-
বাজার সেরে ফিরছে ছেলেটা মোটর ভ্যানে,চিন্তাহীন সুখে,আস্ত একটা চাঁদ,ভ্যান চলছে,চলছে চাঁদ সাথে সাথে দক্ষিণ হাওয়া চুমু দিলো এই মুখে, মায়া বুকে।
ঐ চাঁদ আমার ভারতবর্ষ,লেলিনগড় আমার বাংলা, এখানে ইজরায়েল,ইরানে হানা নেই,নেই সেই ক্ষতি,অস্ত্রের ঝলকানি,অথছ ইরানে হাজার শিশুর লাশ! আমেরিকা আর কবে থামাবে নারকীয় শক্তি।
যে ছেলেটা হস্টেলে থেকে অভাবে বড় হয়েছে
খিদের জ্বালায় মাঠে পড়া বাদাম কুড়িয়ে খায়,
পড়ার জন্য শিক্ষকের বাড়িতে গোয়াল ঘরেও শোয় কে তাকে নিলো,কে সরালো তার কি আসে যায়?
ছেঁড়া জামা পরে স্কুল যেত রোজ,পুজোর সময়
ছেঁড়া পোষাকে রাস্তায় বসে গুমরে একা কাঁদে ,
১৬বছরে ভোটে হোমগার্ড হয়ে ১৫০-র মধ্যে আশি টাকায় ফর্ম ফিলাপ করে,কেন সে পড়বে ফাঁদে ?
এখনো ছেলেটি জীবন একা একাই ঘরে ও বাইরে লড়াই সংগ্রামে জীবন গড়েছে,এখন প্রতিষ্ঠিত ,রুটি রুজির সংস্থান করেছে একা একাই লড়ে বন্ধুহীন,প্রেমহীন রয়ে গেল,সে কখনো হয়নি ভীত।
যে ছেলেটা হস্টেলের নিয়মিত ফী দিতে পারে নি বলে জীববিজ্ঞানের স্যার অন্য অছিলায় বেদম পেটায়, রাতে বিছানায় শুয়ে গুমরে গুমরে কাঁদে,আর শপথ নেয়,প্রতিষ্ঠিত হবে,একার লড়াই,কেউ পাশে ছিল না।
ছেলেটি অবশেষে প্রতিষ্টিত হয়েছে, শিক্ষক থেকে অধ্যাপক, পিএইচডি করেছে,তার লড়াই সংগ্রাম এখনো জারি আছে,মানুষের ভালোর জন্য,মা ও মাটির জন্য,ঐ চাঁদ তার প্রেরণা,সূর্য তার শক্তি।
লেনিন গড়ে চাঁদ উঠেছে,ঐ চাঁদ ছেলেটির ভাত,
ঐ চাঁদ তার ভালোবাসা,ঐ চাঁদ তার প্রেম,ঐ চাঁদ তার মায়া,সে মায়া একমাত্রিক,সে লড়াই বিশ্বজনীন,মায়ার চাঁদ নিঃশেষ করুক হিংসা দ্বেষ,আনুক শান্তি চরাচরে।












Leave a Reply