
নিজস্ব সংবাদদাতা, কোলাঘাট : আসন্ন বর্ষার মরশুমে সাধারণ গ্রামবাসীদের যাতে করে জল বন্দি দশা হয়ে না থাকতে হয় সে বিষয়ে এখন থেকেই নজর দিয়েছে বর্তমান সরকার। আর যার কারণে পূর্ব পাঁশকুড়া বিধানসভার বিধায়ক সুব্রত মাইতি শুক্র ও শনিবার এই দুদিন বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনে গেলেন। শনিবার কোলাঘাট ব্লক এলাকায় বেশ কিছু গ্রামে পর্যবেক্ষণ। মূলত কোলাঘাট দিয়ে বয়ে যাওয়া দেহাটি খালে সম্প্রতি সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। এদিন সঠিক ভাবে কাজ চলছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ যেমন করেন পাশাপাশি বড়দাবাড়, সাগরবাড়, ভোগপুর, কোদালিয়া, দেঁড়িয়াচক সহ একাধিক গ্রামে যান। গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া যে সমস্ত খাল বা নালা রয়েছে সেগুলির নিকাশি ব্যবস্থা ঠিকঠাক আছে কিনা কিংবা খালেরপাড় জবরদখল করে দোকান বা বসবাস করছে কিরে তাও সরোজমিনে দেখেন। এদিন বিধায়ক সুব্রত মাইতির পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন কোলাঘাট ব্লকের বিডিও অমিত কুমার চাঁদ।এদিন সাধারণ মানুষের সঙ্গে বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন। মূলত প্রতিবছরই কোলাঘাটের সিদ্ধা -১ ও সাগরবাড় গ্রাম পঞ্চায়েতের বেশ কিছু এলাকা খালের জল নিকাশি ব্যবস্থা ঠিকঠাক না থাকার কারণে জলবন্দী ও হয়ে থাকতে হয় বেশ কিছুদিন ধরেই। অন্যদিকে কোলাঘাটের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া দেহাটি খালে বেশ কিছুদিন ধরে কোন কারখানার দূষিত জল প্রবেশ করে খালের জলের রং কালো বর্ণের হয়ে রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ এই দূষিত জল মাঠের চাষের ক্ষেত্রে কৃষকেরা সমস্যার মধ্যে পড়তে পারেন। এই দূষিত কালো জল অত্যন্ত ক্ষতিকারক, তবে এর উৎস স্থল কোথায় তা এখনও সুস্পষ্ট নয়। গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেন, অবিলম্বে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। তবে এ বিষয়ে বিধায়ক সুব্রত মাইতি জানান, অবিলম্বে সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধান করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। একদিকে যেমন বিভিন্ন গ্রামে বয়ে যাওয়া খালের জলের গতিপথ ঠিক আছে কিনা তা যেমন দেখা হচ্ছে। কোন সমস্যা থাকলে তার দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ যেমন করা হবে। পাশাপাশি দেহাটি খালে কালো জলের উৎসের বিষয়ে আমাদের নজরে এসেছে। আমরা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করছি প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে।












Leave a Reply