
মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:— এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে প্রায় ২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু কালভার্ট তৈরির পরও মেলেনি রাস্তার সঙ্গে সংযোগ। কালভার্টের দু’পাশে মাটি ভরাট না করায় তৈরি হয়েছে গভীর গর্ত। কাদা ও জমা জল পেরিয়ে বিপজ্জনকভাবে যাতায়াত করতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। ফলে সরকারি অর্থে নির্মিত কালভার্ট কার্যত অব্যবহারের মুখে। ঘটনাটি হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের কুশলপুর গ্রামের। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় বছরখানেক আগে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়। অভিযোগ, নির্মাণের পর কালভার্টের দু’পাশে প্রয়োজনীয় মাটি ফেলে রাস্তার সঙ্গে সমতল করা হয়নি। রাস্তার তুলনায় কালভার্টটি উঁচু হওয়ায় দুই প্রান্তে তৈরি হয়েছে বড় গর্ত। সামান্য বৃষ্টি হলেই সেখানে জল-কাদা জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কালভার্ট তৈরি হলেও সংযোগপথের কাজ অসম্পূর্ণ রেখে দেওয়ায় সাইকেল, মোটরবাইক তো দূরের কথা, সাধারণ পথচারীদেরও চলাচলে চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে কালভার্ট এড়িয়ে জলাশয়ের ধার দিয়ে ঘুরপথে যাতায়াত করছেন তাঁরা। বাসিন্দা এনামুল হক ও রফিকুল ইসলামের দাবি, এই রাস্তা দিয়ে তিন-চারটি গ্রামের মানুষ নিয়মিত যাতায়াত করেন। কবরস্থান ও শ্মশানে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে মাঠের ফসল আনা-নেওয়া—সব ক্ষেত্রেই রাস্তাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ কালভার্ট নির্মাণের পরও সংযোগপথ তৈরি না হওয়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমার বদলে বেড়েছে।
বাসিন্দাদের প্রশ্ন, কালভার্ট নির্মাণের পর রাস্তার সঙ্গে সংযোগ তৈরি করা হল না কেন? প্রায় এক বছর ধরে কেনই বা পড়ে রয়েছে এই অসম্পূর্ণ কাজ? সরকারি অর্থ খরচ করে এমন পরিকাঠামো তৈরি করে তা ব্যবহারযোগ্য না করে রাখার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। দ্রুত কালভার্টের দু’পাশে মাটি ভরাট করে রাস্তার সঙ্গে সমতল সংযোগ তৈরি এবং কাঁচা অংশ পাকা করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের বক্তব্য, শুধু কালভার্ট বানালেই হবে না, সেটিকে মানুষের ব্যবহারের উপযোগী করাও প্রশাসনের দায়িত্ব।












Leave a Reply