সুধা মূর্তি: প্রকৌশল থেকে সাহিত্য ও সমাজসেবায় এক অসাধারণ নারীর যাত্রা।।

কোনও মানুষের জীবন যদি একটিমাত্র পরিচয়ে সীমাবদ্ধ না থাকে, তবে সেই জীবন হয়ে ওঠে আরও অনুপ্রেরণাদায়ক। কেউ যদি একই জীবনে প্রকৌশলী, শিক্ষক, লেখক, সমাজসেবী এবং প্রতিষ্ঠান-নির্মাতা হিসেবে কাজ করতে পারেন, তাহলে তাঁর পথচলা শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের গল্প থাকে না—তা হয়ে ওঠে সমাজের জন্য একটি শিক্ষণীয় অধ্যায়।

সুধা মূর্তির জীবন এমনই এক বহুমাত্রিক যাত্রার নাম।

তিনি একদিকে ভারতের প্রযুক্তি ও প্রকৌশল শিক্ষার জগতে পথপ্রদর্শক নারী, অন্যদিকে অসংখ্য মানুষের জীবনে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গ্রন্থাগার, স্যানিটেশন ও জীবিকার সুযোগ পৌঁছে দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত এক সমাজসেবী। আবার বাংলা ভাষাভাষী পাঠকদের কাছেও তাঁর লেখা নানা অনুবাদের মাধ্যমে পরিচিত হয়ে উঠেছে।

সবচেয়ে বড় কথা, তিনি দেখিয়েছেন—একজন নারীকে একটি মাত্র পরিচয়ের মধ্যে আটকে রাখতে হয় না।

শৈশব ও বইয়ের প্রতি ভালোবাসা

সুধা মূর্তির জন্ম ১৯৫০ সালের ১৯ আগস্ট কর্ণাটকের শিগগাঁওয়ে। ছোটবেলা থেকেই তাঁর পরিবারে শিক্ষা ও বই পড়ার পরিবেশ ছিল।

দাদা-দিদার কাছ থেকে তিনি মহাভারত, রামায়ণ এবং নানা গল্প শুনতেন। সেই গল্প শোনার অভ্যাস ধীরে ধীরে তাঁর মধ্যে কল্পনাশক্তি ও মানুষের জীবন সম্পর্কে কৌতূহল তৈরি করে।

পরে সেই শৈশবের অভিজ্ঞতাই তাঁর সাহিত্যিক জীবনে ফিরে আসে।

তিনি বুঝতে শিখেছিলেন যে একটি গল্প শুধু বিনোদন দেয় না—একটি গল্প মানুষের মূল্যবোধ, সহানুভূতি ও জীবন সম্পর্কে ভাবনার ধরনও বদলে দিতে পারে।

এই উপলব্ধি পরবর্তীকালে তাঁর শিশু-কিশোর সাহিত্যেও বারবার ফিরে এসেছে।

প্রকৌশল শিক্ষার পথে

সুধা মূর্তির জীবনের প্রথম বড় বাঁক আসে উচ্চশিক্ষার সময়।

যে সময়ে ভারতে মেয়েদের প্রকৌশল শিক্ষায় অংশগ্রহণ আজকের তুলনায় অনেক কম ছিল, সেই সময়েই তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সিদ্ধান্ত নেন।

তিনি হুবলির B.V.B. College of Engineering and Technology থেকে ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েন এবং অসাধারণ ফলাফল করেন। এরপর তিনি বেঙ্গালুরুর Indian Institute of Science থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।

এই পথ ছিল সহজ নয়।

ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শ্রেণিকক্ষে তিনি ছিলেন অল্প কয়েকজন নারীর মধ্যে একজন। কিন্তু পুরুষ-প্রধান পরিবেশ তাঁকে পিছিয়ে দেয়নি।

বরং তাঁর সাফল্য তাঁকে আরও বড় চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড় করায়—কীভাবে একজন নারী প্রকৌশলী হিসেবে শিল্পক্ষেত্রে নিজের জায়গা তৈরি করবেন?

TELCO-তে ঐতিহাসিক প্রবেশ

সুধা মূর্তির কর্মজীবনের অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায় Tata Engineering and Locomotive Company—TELCO-তে তাঁর যোগদান।

তখন বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানে মহিলা ইঞ্জিনিয়ারের সংখ্যা ছিল অত্যন্ত কম। সুধা মূর্তি TELCO-তে প্রথম মহিলা ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নিয়োগ পান।

শিল্পক্ষেত্রে প্রবেশের আগে তিনি সংস্থাটির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নারীদের প্রতি বৈষম্য নিয়ে প্রশ্নও তুলেছিলেন। তাঁর প্রতিবাদ পৌঁছেছিল সংস্থার তৎকালীন চেয়ারম্যান জে. আর. ডি. টাটার কাছে।

এরপর তাঁর জন্য সাক্ষাৎকারের সুযোগ তৈরি হয় এবং তিনি নির্বাচিত হন।

এই ঘটনাটি তাঁর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা বহন করে—

কখনও কখনও দরজা বন্ধ থাকলে শুধু দরজায় কড়া নাড়লেই হয় না; প্রশ্ন করতে হয়, কেন দরজাটি বন্ধ।

সুধা সেই প্রশ্ন করেছিলেন।

প্রযুক্তির জগত থেকে শিক্ষকতা

শিল্পক্ষেত্রে কাজ করার পর সুধা মূর্তি শিক্ষকতাতেও যুক্ত হন।

কম্পিউটার সায়েন্সের মতো দ্রুত পরিবর্তনশীল একটি বিষয় শিক্ষার্থীদের শেখানোর মাধ্যমে তিনি প্রযুক্তি শিক্ষার বিস্তারে ভূমিকা রাখেন।

তাঁর কাছে শিক্ষা ছিল শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করার বিষয় নয়। শিক্ষা মানুষের চিন্তাশক্তি বাড়ায়, আত্মবিশ্বাস তৈরি করে এবং নিজের পায়ে দাঁড়ানোর ক্ষমতা দেয়—এই বিশ্বাস তাঁর পরবর্তী সমাজসেবামূলক কাজেও দেখা যায়।

Infosys-এর সূচনাপর্ব

১৯৮১ সালে Infosys প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাঁর স্বামী এন. আর. নারায়ণ মূর্তির নাম সরাসরি যুক্ত হলেও সুধা মূর্তির জীবনেও এই সময়টি ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি নিজের কর্মজীবন ও পারিবারিক জীবনের মধ্যে নানা দায়িত্ব সামলেছেন এবং পরবর্তী সময়ে সমাজসেবাকে নিজের প্রধান কর্মক্ষেত্রগুলির একটি করে তুলেছেন।

১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় Infosys Foundation।

এই প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সুধা মূর্তি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গ্রামীণ উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, গ্রন্থাগার, স্যানিটেশন এবং দুর্যোগ-সহায়তার মতো নানা ক্ষেত্রে কাজ করেন।

তাঁর কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ছিল—সমাজসেবাকে শুধু অর্থ সাহায্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রাখা।

তিনি বিশ্বাস করতেন, মানুষের জীবনে স্থায়ী পরিবর্তন আনতে হলে শিক্ষা, দক্ষতা ও সুযোগ তৈরি করতে হবে।

নারীর ক্ষমতায়নে কাজ

সুধা মূর্তির সমাজসেবার একটি উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্র ছিল নারীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়ন।

বিশেষ করে দেবদাসী সম্প্রদায়ের বহু নারীর পুনর্বাসন ও বিকল্প জীবিকার সুযোগ তৈরিতে তাঁর কাজ উল্লেখযোগ্য।

সমাজের প্রান্তিক অবস্থানে থাকা মানুষের জন্য শুধু সহানুভূতি যথেষ্ট নয়—তাঁদের নিজেদের জীবন নতুন করে গড়ে তোলার সুযোগ দিতে হয়।

সুধা মূর্তির বিভিন্ন উদ্যোগে এই ধারণার প্রতিফলন দেখা যায়।

একজন নারী যদি নিজের উপার্জন করতে পারেন, নিজের সন্তানকে শিক্ষিত করতে পারেন এবং নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে পারেন, তাহলে তাঁর জীবনে পরিবর্তন শুধু ব্যক্তিগত থাকে না। তার প্রভাব পরবর্তী প্রজন্মেও পড়ে।

গ্রন্থাগার ও শিক্ষার প্রসার

সুধা মূর্তির কাছে বই ছিল পরিবর্তনের অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম।

গ্রামীণ ও সরকারি স্কুলগুলিতে কম্পিউটার এবং গ্রন্থাগার গড়ে তোলার কাজে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। কর্ণাটকের বহু স্কুলে গ্রন্থাগার তৈরির উদ্যোগ তাঁর সমাজসেবার একটি পরিচিত অংশ।

তিনি বুঝেছিলেন, একটি বই একজন শিশুর সামনে এমন একটি পৃথিবীর দরজা খুলে দিতে পারে, যে পৃথিবী হয়তো সে নিজের গ্রাম বা শহরের বাইরে কখনও দেখেনি।

একটি গ্রন্থাগার তাই তাঁর কাছে শুধু বই রাখার ঘর ছিল না।

এটি ছিল স্বপ্ন দেখার জায়গা।

লেখক সুধা মূর্তি

প্রকৌশলী ও সমাজসেবী পরিচয়ের পাশাপাশি সুধা মূর্তির আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় পরিচয়—লেখক।

তিনি মূলত কন্নড় ও ইংরেজি ভাষায় লিখেছেন। তাঁর সাহিত্যকর্মের মধ্যে উপন্যাস, ছোটগল্প, ভ্রমণকাহিনি, আত্মজীবনীমূলক লেখা, প্রবন্ধ এবং শিশু-কিশোরদের জন্য গল্প রয়েছে।

তাঁর লেখার ভাষা সাধারণত সহজ, সরল এবং মানবিক।

তিনি জটিল জীবনদর্শনকে কঠিন ভাষায় না লিখে দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট ঘটনার মাধ্যমে পাঠকের সামনে তুলে ধরেন।

মানুষের প্রতি সহানুভূতি, সততা, পরিশ্রম, কৃতজ্ঞতা এবং আত্মসম্মান—এই মূল্যবোধগুলি তাঁর লেখায় বারবার ফিরে আসে।

শিশুদের জন্য তাঁর সাহিত্য

সুধা মূর্তির জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ তাঁর শিশু-কিশোর সাহিত্য।

শিশুদের জন্য গল্প লেখার সময় তিনি তাদের ছোট বলে হালকা করে দেখেননি। বরং সহজ ভাষার মধ্য দিয়ে বড় জীবন-প্রশ্নের সঙ্গে তাদের পরিচয় করিয়েছেন।

দিদা-ঠাকুমার গল্পের ঐতিহ্য, ভারতীয় সংস্কৃতি, প্রাণী, পরিবার, বন্ধুত্ব এবং মানুষের চরিত্র—এসব তাঁর গল্পে বিশেষভাবে উঠে আসে।

তাঁর বই বহু ভারতীয় ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ফলে এক অঞ্চলের পাঠকের গল্প অন্য অঞ্চলের পাঠকের কাছেও পৌঁছে গেছে।

এভাবে একজন লেখক হিসেবে তিনি ভাষার সীমানা অতিক্রম করেছেন।

সাদামাটা জীবন, বড় কাজ

সুধা মূর্তির ব্যক্তিত্বের একটি আলোচিত দিক হলো তাঁর সরল জীবনযাপন।

অর্থ, খ্যাতি ও সামাজিক মর্যাদা অর্জনের পরও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সাধারণ জীবনের অভিজ্ঞতাকে তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন।

সমাজসেবার কাজে তিনি গ্রামাঞ্চলে গিয়েছেন, সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা শুনেছেন এবং নানা প্রকল্পের বাস্তব পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেছেন।

এই প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা তাঁর লেখাতেও ফিরে এসেছে।

তাঁর অনেক গল্পের চরিত্র যেন কোনও কল্পিত পৃথিবীর মানুষ নয়—তারা আমাদের আশেপাশের মানুষ।

এই বাস্তবতার কারণেই তাঁর লেখা পাঠকের কাছে সহজে পৌঁছে যায়।

পুরস্কার ও সম্মান

দীর্ঘ কর্মজীবনে সুধা মূর্তি বহু সম্মান পেয়েছেন।

২০০৬ সালে তিনি পদ্মশ্রী লাভ করেন। ২০২৩ সালে তাঁকে পদ্মভূষণে সম্মানিত করা হয়।

সাহিত্য, সমাজসেবা ও শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর অবদানের জন্য তিনি আরও বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মান পেয়েছেন।

২০২৩ সালে শিশু সাহিত্যের ক্ষেত্রেও তিনি সাহিত্য আকাদেমির পুরস্কার পান।

এই সম্মানগুলি তাঁর জীবনের বিভিন্ন দিককে স্বীকৃতি দিয়েছে—একজন প্রকৌশলী হিসেবে তাঁর পথচলা, একজন লেখক হিসেবে তাঁর সৃষ্টিশীলতা এবং একজন সমাজসেবী হিসেবে তাঁর দীর্ঘ কাজ।

রাজ্যসভায় নতুন দায়িত্ব

২০২৪ সালের ৮ মার্চ রাষ্ট্রপতি তাঁকে রাজ্যসভার মনোনীত সদস্য হিসেবে মনোনীত করেন।

এটি তাঁর জীবনের আরেকটি নতুন অধ্যায়।

যে নারী একসময় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে অল্প কয়েকজন ছাত্রীদের একজন ছিলেন, পরে শিল্পক্ষেত্রে প্রথম মহিলা ইঞ্জিনিয়ারদের একজন হিসেবে কাজ করেছেন, শিক্ষকতা করেছেন, বই লিখেছেন এবং সমাজসেবায় যুক্ত থেকেছেন—তিনি এবার দেশের সংসদের উচ্চকক্ষে মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ পান।

এটি তাঁর দীর্ঘ পথচলার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি।

সাফল্যের প্রকৃত অর্থ

সুধা মূর্তির জীবনকে যদি এক কথায় ব্যাখ্যা করতে হয়, তাহলে বলা যায়—জ্ঞানকে কাজে পরিণত করা।

তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং শিখেছেন, কিন্তু সেই জ্ঞান শুধু নিজের কর্মজীবনের মধ্যে আটকে রাখেননি।

তিনি লেখক হয়েছেন, কিন্তু লেখাকে শুধু বিনোদনের মাধ্যম করেননি।

তিনি অর্থ ও প্রতিষ্ঠান পেয়েছেন, কিন্তু সেগুলিকে সমাজের বিভিন্ন প্রয়োজনের কাজে ব্যবহার করেছেন।

তিনি দেখিয়েছেন, সাফল্য শুধু নিজের জীবনের উন্নতি নয়। নিজের সুযোগকে অন্য মানুষের সুযোগে পরিণত করাও সাফল্যের একটি বড় রূপ।

নতুন প্রজন্মের জন্য শিক্ষা

সুধা মূর্তির জীবন থেকে তরুণ প্রজন্মের জন্য অনেক শিক্ষা রয়েছে।

প্রথমত, কোনও পেশাকে শুধুমাত্র লিঙ্গের ভিত্তিতে বিচার করা উচিত নয়।

দ্বিতীয়ত, শিক্ষার মূল্য শুধু চাকরি পাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

তৃতীয়ত, জীবনে একবার একটি পেশা বেছে নিলে সারাজীবন একই পরিচয়ে আটকে থাকতে হয় না।

চতুর্থত, অর্থনৈতিক সাফল্যের সঙ্গে সামাজিক দায়িত্বও গুরুত্বপূর্ণ।

আর সবচেয়ে বড় শিক্ষা—মানুষের জন্য করা কাজই শেষ পর্যন্ত মানুষের মনে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ রেখে যায়।

উপসংহার

সুধা মূর্তির জীবন একটি দীর্ঘ নদীর মতো—যার উৎস প্রকৌশল শিক্ষায়, যার স্রোত শিক্ষকতা ও প্রযুক্তিতে, যার বিস্তার সাহিত্য ও সমাজসেবায় এবং যার বর্তমান অধ্যায় জনজীবনের সঙ্গে যুক্ত।

তিনি দেখিয়েছেন, একজন নারী একই সঙ্গে প্রযুক্তিবিদ হতে পারেন, শিক্ষক হতে পারেন, লেখক হতে পারেন, সমাজসেবী হতে পারেন এবং দেশের জনজীবনেও ভূমিকা রাখতে পারেন।

তাঁর গল্পের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য হয়তো এখানেই—তিনি কোনও একটি পরিচয়ের মধ্যে নিজেকে আটকে রাখেননি।

একজন মানুষ কত বড় পদে পৌঁছালেন, তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো তিনি কত মানুষের জীবনকে একটু ভালো করার চেষ্টা করলেন। সুধা মূর্তির জীবন সেই মানবিক সাফল্যেরই এক উজ্জ্বল উদাহরণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *