
রেসিপির নাম: আলু পোস্ত
রান্নার ধরন: বাঙালি নিরামিষ পদ
প্রস্তুতির সময়: ১৫ মিনিট
রান্নার সময়: ২৫ মিনিট
পরিবেশন: ৩–৪ জন
প্রয়োজনীয় উপকরণ
- আলু — ৪টি মাঝারি আকারের
- পোস্তদানা — ৪ টেবিল চামচ
- কাঁচালঙ্কা — ৩–৪টি
- কালোজিরে — আধা চা চামচ
- সর্ষের তেল — ৩ টেবিল চামচ
- হলুদ গুঁড়ো — সামান্য
- নুন — স্বাদমতো
- চিনি — সামান্য, ইচ্ছা অনুযায়ী
- জল — প্রয়োজনমতো
প্রণালী
প্রথম ধাপ: পোস্ত বাটা তৈরি
পোস্তদানা ১৫–২০ মিনিট জলে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর অল্প জল ও ১–২টি কাঁচালঙ্কা দিয়ে মিহি করে বেটে নিন। চাইলে মিক্সারেও বাটতে পারেন।
দ্বিতীয় ধাপ: আলু কাটা
আলুর খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে ধুয়ে নিন। এতে রান্না তাড়াতাড়ি হবে এবং মশলা ভালোভাবে মিশবে।
তৃতীয় ধাপ: আলু ভাজা
কড়াইয়ে সর্ষের তেল গরম করুন। তেলে কালোজিরে ও একটি চেরা কাঁচালঙ্কা দিন। সুগন্ধ বের হলে আলুর টুকরোগুলি দিয়ে দিন। সামান্য হলুদ ও নুন মিশিয়ে ৫–৭ মিনিট মাঝারি আঁচে ভাজুন।
চতুর্থ ধাপ: পোস্ত মেশানো
আলু কিছুটা নরম হয়ে এলে বাটা পোস্ত দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। প্রয়োজনমতো অল্প গরম জল দিন। ঢাকনা দিয়ে কম আঁচে ৮–১০ মিনিট রান্না করুন। মাঝে একবার নেড়ে দেবেন, যাতে কড়াইয়ের তলায় লেগে না যায়।
পঞ্চম ধাপ: শেষ পর্যায়
আলু পুরোপুরি সেদ্ধ হয়ে গেলে নুন পরীক্ষা করুন। ঝাল পছন্দ অনুযায়ী আরও একটি কাঁচালঙ্কা দিতে পারেন। পোস্তের মিশ্রণ ঘন হয়ে এলে আঁচ বন্ধ করে দিন।
পরিবেশনের পরামর্শ
গরম ভাত, ডাল এবং একটু কাঁচা পেঁয়াজের সঙ্গে আলু পোস্ত পরিবেশন করুন। চাইলে পাশে পাতিলেবুর টুকরোও রাখতে পারেন।
রান্নার বিশেষ টিপস
১. পোস্ত ভালোভাবে বাটলে রান্নার স্বাদ ও মসৃণতা বাড়ে।
২. সর্ষের তেল ব্যবহার করলে বাঙালি রান্নার আসল স্বাদ পাওয়া যায়।
৩. পোস্ত দেওয়ার পর বেশি জল দেবেন না। এই পদটি সাধারণত মাখা-মাখা হলে বেশি ভালো লাগে।
৪. পোস্ত যাতে পুড়ে না যায়, তাই রান্নার শেষ অংশে আঁচ কম রাখুন।
শেষ কথা: অল্প কিছু উপকরণ দিয়ে তৈরি এই ঐতিহ্যবাহী বাঙালি পদটি দুপুরের ভাতের সঙ্গে অত্যন্ত সুস্বাদু।












Leave a Reply