স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকা সত্বেও বিনা চিকিৎসায় শয্যাসায়ী হয়ে দিন কাটছে ।

আবদুল হাই, বাঁকুড়াঃ বাঁকুড়া জেলার ছাতনা থানার অন্তর্গত রাঙ্গাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মলয় মান্ডি (25) বেশকিছু দিন আগে স্থানীয় রাস্তায় এক্সিডেন্ট হয়েছিল

সাথে সাথেই পরিবারের লোকজন প্রথমে ছাতনা সুপার স্পেশালীটি হসপিটালে নিয়ে গেলে সেখান থেকে বাঁকুরা সম্মিলনী মেডিকেল হাসপাতালে ট্রান্সফার করে দেন, সেখানে গিয়েও সুরাহা হয়নি মলয় মান্ডির।

বাঁকুড়া থেকে ফের পাঠানো হয় কলকাতা পিজি হসপিটালে , সেখানে গিয়েও উপযুক্ত বেড না পেয়ে বাধ্য হয়ে পাশেই থাকা বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করান তাঁর পরিবারের লোকজন । পরিবারের লোকজনের অভিযোগ সেখানে গিয়ে মলয় মান্ডির স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দেখালে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ সেই কার্ড ফিরিয়ে দেন । শারীরিক অবনতি হওয়ায় এক প্রকার বাধ্য হয়ে পকেট থেকে টাকা দিয়ে মলয়ের মাথার অপারেশন করাতে হয় তাদেরকে ।
কয়েক দিন পরে টাকাপয়সার যোগান না থাকাই বাড়ি নিয়ে চলে আসতে হয় মলয়কে ।

মাঝে কেটে গেছে বেশকিছু দিন কিন্তু এখন পর্যন্ত পরিবারের লোকজন টাকা পয়সা জোগাড় করতে পারেননি ।
তাই বিনা- চিকিৎসায় বিছানা গত হয়ে পড়ে আছেন- মলয়।

পরিবারের লোকজন বলছেন স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে চিকিৎসা করাতে গেলে ফিরিয়ে দিচ্ছে সবাই।

তাহলে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলেছেন স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকলে বিনামূল্যে চিকিৎসা করা যাবে যেকোনো জায়গায় । তাহলে আজ আমাদের সাথে এইরকম কেন করছে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষরা।

লখিন্দর মান্ডি – নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন প্রতিবেশীরা মিলে এতদিন পর্যন্ত টাকা পয়সা জোগাড় করে চিকিৎসা করিয়েছি, কিন্তু আর পারছিনা।

আমরা চাই সমস্ত নার্সিং হোমে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড এলাউ করুক । তাহলে হয়তো মলয় আগের মতো সুস্থ হয়ে উঠবে, এটাই রাজ্যে সরকারের কাছে আবেদন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *