সুভাষ চন্দ্র দাশ, ক্যানিং :- রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতিদের হাতে আক্রান্ত হলেন দুজন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থক। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার গভীর রাতে বাসন্তী থানার অন্তর্গত ভরতগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের ৭ ও ১০ নম্বর গরাণবোস এলাকায়।রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতিদের এমন তান্ডবের কথা প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।পাশাপাশি এলাকার মানুষজন রয়েছেন আতঙ্কে।স্থানীয় সুত্রে জানাগিয়েছে এদিন গভীর রাতে ৭ নম্বর গরাণবোস এলাকার গ্রামের বাড়িতে ঘুমিয়েছিলেন তৃণমূল কর্মী সমর্থক কুরবান সেখ। অভিযোগ রাতের অন্ধকারে বেশকিছু সশস্ত্র দুষ্কৃতি বাড়ির মধ্যে চড়াও হয়।মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয় বলে অভিযোগ।অন্যদিকে ১০ নম্বর গরাণবো গ্রামের তৃণমূল কর্মী সমর্থক সাইফুদ্দিন সেখ কে তার বাড়ি থেকে ঘুমন্ত অবস্থায় তুলে নিয়ে যায় সশস্ত্র দুষ্কৃতিরা। তাকে বেধড়ক মারধর করে পার্শ্ববতী একটি খালের পাড়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।বুধবার ভোরের আলো ফুটতেই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।প্রতিবেশীরা গুরুতর জখম অবস্থায় দুই তৃণমূল কর্মী সমর্থক কে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে আশাঙ্কাজনক অবস্থায় ওই দুই তৃণমূল কর্মী সমর্থক ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ঘটনার বিষয়ে জখম পরিবারের সদস্যরা বাসন্তী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে বাসন্তী থানার পুলিশ।তবে দুষ্কৃতিরা কেন এমন তান্ডব চালালো সে বিষয়ে মুখ খুলতে চাইছেন না গ্রামবাসীরা।
স্থানীয় ভরতগড় অঞ্চল তৃণমুল কংগ্রেস কমিটির সদস্য জাকির হোসেন মোল্লা জানিয়েছেন ‘রাতের অন্ধকারে সশস্ত্র দুষ্কৃতিরা আমাদের দুই কর্মী সমর্থকের উপর চড়াও হয়ে বেধড়ক মারধর করেছে।ঘটনার বিষয়ে আমরা পুলিশ কে জানিয়েছি।’
দুষ্কৃতিদের হাতে আক্রান্ত দুই তৃণমূল কর্মী সমর্থক।












Leave a Reply