সঠিক অনুশিলন, ও অধ্যাবশায় সাফল্যের চাবি কাঠি।

একজন ভালো ছাত্র হয়ে উঠতে গেলে প্রতিটি শিক্ষার্থীর কিছু কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিৎ। তাহলে সাফল্য সহযেই ধরা দেবে। সঠিক অনুশিলন, ও কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে প্রতিটি ছাত্র ছাত্রী যেমন ভালো শিক্ষার্থী হয়ে উঠতে পারে তেমনি তাদের ভিষ্যৎ জীবনও উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হয়। তাদের আর পেছন ফিরে তাকাতে হয় না।

এরজন্য প্রতিটি শিক্ষার্থীকে দৈনন্দীন জীবনের ডেইলি রুটিন মেনে চলা উচিৎ। এর জন্য তাদের নিজেদের ইচ্ছে শক্তির পাশাপাশি গুরুর পরামর্শ মেনে চলা উচিৎ।

ডেইলি রুটিন সময়ের সাথে সবচাইতে বেশি সঙ্গতিপুর্ন হল প্রতিদিনের রুটিন। এই রুটিনের মধ্যে খেয়াল রাখতে হবে সপ্তাহের সব দিনে টোটাল বিষয় সমুহ এসেছে কি না। যদি না আসে তবে সে অনুযায়ী সাজাতে হবে। প্রত্যেক সপ্তাহের কাজ সপ্তাহেই শেষ করতে হবে। পাঠ্যসুচীতে যা কিছু আছে তার সবটাই ঢেলে সাজানো হচ্ছে প্রথম কাজ। যে ছাত্র একটি সুন্দর রুটিন মেনে চলে সে ভাল না হয়ে পারেনা। দিনের প্রত্যেক ক্ষুদ্রাংশকেও ভেঙ্গে সাজাতে হয়। প্রতি দশ মিনিটের জন্য একটি কাজ করা যেতে পারে আর তার রেজাল্ট মাসের শেষে মিলিয়ে দেখলে এমনিতেই ডেইলি রুটিনের গুরুত্ব বুঝা যাবে।

সময় পরিকল্পনাঃ একটি দৈনিক রুটিনের মাঝে এমন ভাবে সময় প্ল্যান করতে হবে যেন বোরিং না আসে। পড়ার সময় খুব বেশি যেন না হয়। দিনে ৬ ঘন্টার বেশি পড়া উচিত না। বেশি পড়লেই ভাল হয় না। ভাল করে পড়লে কম পড়াই যথেষ্ট। তবে মেধানুসারে ৬ঘন্টা থেকে আরো বাড়ানো যেতে পারে। কিন্তু মনে রাখা উচিত সেই বাড়তি সময় যেন মনের উপর প্রভাব না ফেলে।

ডেইলি নোটঃ যদি নোট করার অভ্যেস না থাকে তবে আজি তা আয়ত্ব করুন। নোট এমন একটি ব্যাপার যা না করলে কখনোই তেমন কিছু মনে রাখা সম্ভব নয়। যে কোন কঠিন বিষয় নিয়ে পড়াশুনা করলেও একটি নোটের মাধ্যমে তা সহজ করে ফেলা যায়। জটীল বিষয়ের জটিল পয়েন্টসগুলো লিখে রাখাই উত্তম।

নিয়মিত ক্লাসঃ ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিত থাকাটা আবশ্যক। প্রতিদিনের মত যদি ক্লাসে উপস্থিত না থাকা যায় তবে সেই অনুপস্থিত ক্লাসের পড়াটাও সংগ্রহ করা উচিত। শিক্ষকের সাথে একই সময়ে যে পাঠ চর্চা করা হয় তা সাথে সাথেই বোধগম্য হয়ে যায়। নিয়মিত ক্লাস করার সুবিধা অনেক।

পড়া পড়া এবং লেখাঃ পড়ার কোন বিলল্প নেই। তবে তা কেবল না বুঝে পড়াই নয়, বুঝে শুনে পড়া। কোন কিছু মগজে না ঢুকতে চাইলে তা লিখে ফেলা উচিত। লিখতে গেলে বিষয়টা খুব ভাল ভাবে মনে থাকে। তাই প্রথম চেষ্টা হচ্ছে পড়া, তার পরের চেষ্টাও পড়া এবং সবশেষে লিখে চেষ্টা করা। এছাড়াও যদি বিষয়টি পড়া শেষ হয়ে যায় তারপর আবার নতুন কতে লিখে দেখা যেতে পারে যে অই বিষয়টি আসলেই আয়ত্ব হয়েছে কি না।

সহায়ক গ্রন্থের পাঠ বাড়ানোঃ যে কোন পাঠের বিস্তারিত পাঠ্য বইয়ে না থাকাটা স্বাভাবিক। এর বিস্তারিত জানার জন্যে সহায়ক বইয়ের সাহায্য নেয়া উচিত। যেমন বিজ্ঞান বিষয়ে অন্য অনেক সহায়ক গ্রন্থ আছে যা থেকে সেই বিষয়ে আরো অনেক জ্ঞান অর্জন করা।

এভাবে নীয়ম মাফিক চালচলনে ভাল ছাত্র হওয়া যায় এবং যে কোনো পরীক্ষায় সফলতার দোর গড়ায় পৌঁছে দেয়।

।।তথ্য : সংগৃহীত।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *