নিজস্ব সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার:- বর্ষা পারভিন।আলিপুরদুয়ারের প্রত্যন্ত বনবস্তি কলাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা।এবারের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় ষষ্ঠ স্থান অধিকার করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৩।বাবা মতিয়ার রহমান ভিনরাজ্যে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করেন।নুন আনতে পান্তা ফুরোনোর সংসারে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই চালিয়ে গিয়েছে।সাত কিলোমিটার দূরের শীলবাড়ী হাট হাইস্কুলে তার যাতায়াতের বাহন ছিল সবুজসাথী সাইকেল।কলা বিভাগের ওই ছাত্রী ভবিষ্যতে ডাব্লিউ বি সি এস পরীক্ষায় বসে সফল হতে চায়।শারীরিক ভাবে দুর্বল হওয়ার কারনে মাঝেমধ্যেই চোদ্দো কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে দুর্বল হয়ে পড়ত।তবও লড়াই ছাড়েনি বর্ষা।দর্মার বেড়া ও টিনের চালের ঘরে বন্য জন্তুদের আক্রমণ যেন রোজ নামচা বর্ষার গ্রামের।জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান থেকে হামেশাই হাতি-গন্ডার-বাইসন বেরিয়ে আসে ওই গ্রামে।ফলে এক দিকে আর্থিক অনটন অন্যদিকে বন্যপ্রাণের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে এই ছোট্টো মেয়ে সফল হওয়ায় উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে গোটা গ্রাম।খুশি স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকা ও সহপাঠীরা।
আলিপুরদুয়ারের প্রত্যন্ত বনবস্তি কলাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা বর্ষা পারভিন উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় ষষ্ঠ স্থান অধিকার করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।












Leave a Reply