নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:- শান্তিপুর শহরে 18 নম্বর ওয়ার্ডে, জগন্নাথ প্রামানিক পেশায় গৃহশিক্ষক, যেটুকু সময় মেলে তা ব্যয় করে ছোটবেলা থেকে শখ স্থাপত্য এবং মূর্তি বানানোর জন্য। বাবা রাম প্রামানিক তাঁত শ্রমিক ছিলেন, এখন বয়সের ভারে শাড়ির ছোট ব্যবসা করেন। মা মালতি দেবী সুতো পাকিয়ে সংসারে কিছুটা সহযোগিতা করেন।একমাত্র সন্তান জগন্নাথ, ইংরেজিতে অনার্স নিয়ে পাস করেও পায়নি চাকরি! তবে তা নিয়ে আক্ষেপ নেই তার। ছোট থেকে দুচোখ ভরে শিল্পের স্বপ্ন দেখেছিলেন তা বাস্তবায়িত করতে তিনি বেশি খুশি হবেন বলে জানিয়েছেন।
মালতি দেবী জানান, ছোটোবেলায় জগন্নাথ আটা, কাদা নিয়ে মূর্তি বানানোর খেলা করতো, ওর প্রতিভা বোঝা সত্বেও কিন্তু অভাবের সংসারে কোনদিন আলাদা ভাবে শেখানোর কোন ব্যবস্থা করে উঠতে পারিনি, তবে বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ার যেভাবে লাভ করছে তাতে মাধ্যমে অনেক বড় শিল্পী হবে।
জগন্নাথ বলে, এ বছরে ছয় মাস আগে, বাঙালোরে এক প্রবাসী বাঙালির পরিচয় হয় সোশ্যাল মিডিয়ায় মাধ্যমেই, তিনি দুর্গা প্রতিমা বাড়ানোর জন্য কিছু এডভান্সও করেন। এক ভাবে কাজ করলে কুড়ি দিন লাগতো তবে টিউশন এবং অন্যান্য শিল্প কর্মের ফাঁকে ফাঁকে করার জন্য দুই মাস ধরে ভর্তির কাজ শেষ হয়েছে আজ।আকাশ পথে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে, ব্যাঙ্গালোর পৌছাতে চলেছে।
জগন্নাথের তৈরি দুর্গা প্রতিমা পাড়ি দিল ব্যাঙ্গালোরে।












Leave a Reply