মালদা জেলা পরিষদে নতুন বোর্ড গঠন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে শীঘ্রই।

0
126

নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদাঃ-মালদা জেলা পরিষদে নতুন বোর্ড গঠন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে শীঘ্রই।চাঁচল থেকে জেলা পরিষ‍দের নির্বাচিত প্রতিনিধিকে সভাধিপতি করার দাবি উঠতে শুরু করেছে।স্থানীয় বাসিন্দারা অনেকেই এই দাবিতে সরব হয়েছেন।মূলত,চাঁচলে পুরসভা হয়নি।ফলে চাঁচল শহর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনেই থেকে গেছে।পঞ্চায়েতের মাধ‍‍্যমে পরিচালিত হচ্ছে শহর।এই পরিস্থিতিতে চাঁচল থেকে সভাধিপতি করার দাবি জানিয়েছেন বাসিন্দারা।তাদের দাবি,সদস‍্যের তুলনায় সভাধিপতির কাজের পরিধি বেশি।ফলে এলাকায় সভাধিপতি হলে চাঁচল শহরের উন্নতি আরোও হবে।

উল্লেখ্য,গত ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে চাঁচল শহর ঘেঁষা চারটি পঞ্চায়েতের অধীনে জেলাপরিষদে তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছিল সামিউল ইসলাম।চাঁচলের অন‍্য অংশে জয়ী হয়েছেন বন্দনা ঘোষ।তৃণমূল চাঁচলে প্রথমবার জেলাপরিষদ আসন দখল করলেও কর্মাধ‍্যক্ষ কেউ পায়নি।বারবার বঞ্চিত থেকে যাচ্ছে চাঁচল।চাঁচল শহরে সভাধিপতি হলে পুরসভাহীন চাঁচলে উন্নয়ন আরোও ঘটবে বলে মনে করছেন বাসিন্দারা।
এনিয়ে চাঁচল থেকে সভাধিপতির জন‍্য জোরালো দাবি উঠতে শুরু করেছে।মালদা জেলা পরিষদের দফতর হওয়ার পর থেকে একটি বারের জন্য চাঁচল থেকে জেলা সভাধিপতি হয়নি বলে অভিযোগ। পাশাপশি এও অভিযোগ যে চাঁচল শহর হলো মালদা শহরের পরেই।চাঁচালে সদর মহকুমা রয়েছে। পৌরসভার দিক থেকেও অনেক টা পথ এগিয়ে গিয়েছে শুধু সময়ের অপেক্ষা। মালদহের দক্ষিণ থেকে একাধিক বার জেলা সভাপতির আসনে বসেছেন। চাঁচলের অধিকাংশ বাসিন্দারা এবার চাইছেন এবারে মালদহ জেলা পরিষদের সভাপতির আসন চাঁচলের কোন একজন সদস্যকে ওই চেয়ারে বসানো হোক।

চাঁচলের এক বাসিন্দা মোশারফ হোসেন দাবি করেছেন, চাঁচল বাসি হিসেবে চাইবো চাঁচলের বহু সমস্যা রয়েছে এক্ষেত্রে যদি চাঁচলের কোন একজন সদস্যকে ওই চেয়ারে বসানো হয় তাহলে চাঁচলের অনেক সমস্যা সমাধান হবে। জেলা পরিষদের প্রতি বছর বিগ বাজেট হয়ে থাকে এক্ষেত্রে যদি আমাদের এখান থেকে একজন সভাদ্ধিপটি সভাধিপতি হয়ে থাকেন তাহলে চাচল এর বিভিন্ন রাস্তা ঘাট পানীয় জল থেকে বিদ্যুৎ ওই বাজেটের মধ্যে মধ্যে কাজ হয়ে হবে। যা পঞ্চায়েত পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে ওই কাজগুলো করা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে জেলা পরিষদ থেকে এলাকার প্রচুর উন্নয়ন হবে।

এবিষয়ে মালদা জেলা পরিষদের ১২নং চাঁচলের সদস্য সামিউল ইসলাম বলেন, চাঁচল থেকে জেলা পরিষদের সভাধিপতির দাবি জনগণ তুলছেন খুব। কিন্তু পুরো বিষয়টি জেলা এবং রাজ্য নেতৃত্বের উপর তারাই সিদ্ধান্ত নিয়ে ঠিক করবেন ওই আসনে কাকে কোন এলাকা থেকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here