নদীয়ার শান্তিপুরে ডাক্তারবাবুর জমি কেনা বাবদ টাকা দাবি এবং ভাঙচুরের ঘটনা প্রদর্শনে এলেন সংসদ জগন্নাথ সরকার, স্থানীয় বিধায়ক এবং সিপিআইএমের মানবিক দৃষ্টি আকর্ষণ করার কথা জানান।

0
400

নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:- জমির সীমানার প্রাচীর ও সদ্য বসানো গেট ভাঙচুর জমির ভেতরে ফুল গাছ তুলে ফেলার অভিযোগ এবং ফোনে স্থানীয় শ্যামবাজার বাড়ির সদস্যদের কেন পার্সেন্ট হিসেবে চার লক্ষ টাকা দাবির বিরুদ্ধে ফুলিয়া ব্লক প্রাথমিক হেলথ সেন্টার এর মেডিকেল অফিসার ড: সুজন দাস। যদিও সুজন দাস এর বিরুদ্ধেও ক্লাব সদস্যদের মারধর এবং ক্লাবের এলইডি টিভি চেয়ার টেবিল বেশ কিছু আসবাবপত্র ভাংচুরের অভিযোগ আনেন ক্লাবের সদস্যরা, এবং টাকা চাওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। আর এই নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়।
ঘটনা পরিদর্শনে আজ ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছান সাংসদ জগন্নাথ সরকার। তিনি একজন অভাবী পরিবার থেকে উঠে আসা কৃতি ডাক্তার, যিনি শান্তিপুরের মানুষের সেবার জন্য অন্য কোথাও চাকরি নেননি এরকম এক সমাজসেবীর পাশে রাজনীতির ঊর্ধ্বে মানবিকভাবে দাঁড়ানোর জন্য সিপিআইএম এবং বিধায়কের দৃষ্টি আকর্ষণ করার কথা বলেন।
তবে যারা এ ধরনের ঘটনার সাথে যুক্ত হয়েছেন তারা কেউই দুষ্কৃতী নন, আবেগের বশে অঘটন ঘটিয়ে ফেলেছে, ক্ষতিপূরণের দাবি নিয়ে সংসদ বলেন পেছনে কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামী এ বিষয়ে জানান, ডাক্তারবাবুর পেশেন্ট ছিলাম আমি, সেইদিনই আমার সাথে দেখা করেছেন, দুপক্ষের সাথে কথা বলেছি, প্রশাসনকেও বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখার কথা বলেছি।