আনন্দধারা প্রকল্প অর্থে বাবলা গ্রাম পঞ্চায়েতের নিজস্ব জমিতে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর একটি দ্বিতল ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:- চতুর্দশ অর্থ কমিশনের অর্থে বাবলা গ্রাম পঞ্চায়েতের নিজস্ব জমিতে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর জন্য আনন্দধারা প্রকল্পে একটি দ্বিতল ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হলো শুক্রবার। এই ভবনটি জন্য আর্থিক বর্ষ 2019-20 তে অর্থবরাদ্দ হয়েছিল 21 লাখ 50 হাজার 450 টাকা। শুক্রবার এই ভবনের উদ্বোধন করলেন নদীয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি রিক্তা কুন্ডু, দ্বার উদঘাটন করেন বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামী, আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের প্রবীণ সদস্য নিমাই চন্দ্র বিশ্বাস, বিশ্বনাথ পাল, সৌরভ মোদক, প্রধান অতিথি সুমন দেবনাথ, প্রাক্তন BDO শান্তিপুর এবং বিশেষ অতিথি প্রণয় মুখোপাধ্যায় BDO শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রিনা প্রামানিক, বাবলা পঞ্চায়েত প্রধান উন্নতি সরদার সহ বাবলা অঞ্চলের পঞ্চায়েত সদস্য এবং পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যরা।
আলোচনায় অতিথিবর্গ বর্তমান সরকারের বয়স প্রশংসা করে বলেন স্বনির্ভর ও তার ফলেই মহিলারা আজ স্বাবলম্বী হয়েছেন। সামলাচ্ছেন বহু বড় বড় ব্যবসাও। ব্যক্তিগত ভাবে নয় সমষ্টিগত ভাবে স্বল্প সুদে ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে তাদের নিজেদের মূলধন তারা নিজেরাই জোগাড় করে নিতে পারছেন। পরবর্তীতে বড়োসড়ো ব্যবসার জন্য সরকারি অনুদান মেলার ফলে মাছ চাষ, হাঁস মুরগি প্রতিপালন গবাদি পশু পালন, ভোজ্যতেল ডালের বড়ি রান্নার মসলা বিক্রি প্রসাধনী এবং পোশাক ঘর সাজানো সৌখিনদ্রব্য বিক্রি করে পরিবার প্রধানের কষ্ট কিছুটা লাঘব করছেন ঘরকন্যার কাজ সামলিয়েও। গোষ্ঠীগুলি একত্রিত হয়ে সোসাইটি গঠনের মাধ্যমে হোটেল রেস্টুরেন্ট, পশু-পাখির ফার্ম, মাছের ভেড়ি সহ বড় মাপের ব্যবসাও করছেন তারা। এ সরকারের 11 বছরের সাফল্য এর মধ্যে মহিলাদের স্বনির্ভর করা অন্যতম বলে জানালেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি রিক্তা কুন্ডু। বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামী বলেন যে রাজ্যের মমতাময়ী সরকার সে রাজ্যের মহিলার তো স্বাবলম্বী হবেনই। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রিনা প্রামানিক বর্তমান বিডিও কে অনুরোধ করেন আদিবাসী এলাকাগুলিতে আরো বেশি ক্লাস্টার গঠন করার বিষয়ে সহযোগিতা করতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *