ঝাড়গ্রামে ইলেকট্রিক মিটারে ভুতুড়ে কান্ড ! মেইন সুইচ নামানোর পরেও মিটার রিডিং উঠে চলেছে ইলেকট্রিক মিটারে।

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম:- ইলেকট্রিক মিটারে ভুতুড়ে কান্ড ! মেইন সুইচ নামানোর পরেও মিটার রিডিং উঠে চলেছে ইলেকট্রিক মিটারে । শনিবার এমনই এক নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী রইল ঝাড়গ্রাম পৌরসভার তিন নাম্বার ওয়ার্ডের শক্তিনগর এর বেরা পরিবার । প্রায়ই মাত্রাতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসার কারণে চিন্তিত ছিলেন তারা । কারণ বাড়িতে হাতে গোনা কয়েকটি এলইডি বাল্ব, ফ্যান ,একটি টিভি ও একটি সাপ মার্শাল পাম্প রয়েছে । সামান্য এই ক’টি জিনিসে কিভাবে তিন মাসে 15 শো থেকে 16 শো ইউনিট বিদ্যুৎ পুড়তে পারে । তা সঠিকভাবে জানার জন্য বিদ্যুৎ দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জানান । বিদ্যুৎ দপ্তর কর্মীরা এসে মিটার পরীক্ষা করে যায় । বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মচারীরা কেবলমাত্র একটি বাল্ব জ্বেলে মিটার পরীক্ষা করে বলেন মিটারটি ঠিক রয়েছে । উনাদের বারে বারে অনুরোধ করার পর বাড়িতে চেক মিটার বসানোর আশ্বাস দেন । এবং তারা বলেন মিটারের উপর নজর রাখবেন । সেইমতো শনিবার বিকেল পাঁচটার সময় হঠাৎ দেখা গেল ইলেকট্রিক মিটারের লাল বাতি জ্বলে রয়েছে । বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা বলেছিল মেইন সুইচ নামিয়ে দেখবেন লাল বাতি জ্বলে রয়েছে কিনা । মেইন সুইচ নামানো হলে দেখা যায় প্রায়ই 45 মিনিটের বেশি সময় ধরে জ্বলে রয়েছে ইলেকট্রিক মিটারের লাল বাতিটি । পরে নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যায় । এই ঘটনার পরে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শক্তিনগর এলাকায় । তবে এটি মিটারের ত্রুটি না বিদ্যুৎ দপ্তর এর চালাকি তা নিয়ে ধন্দ থাকলেও । বেরা পরিবারের বর্ষিয়ান সদস্যরা বেলারানী বেরা বলেন , আমার ছেলে স্বপন বেরা এর নামে বিদ্যুত কানেকশনটি রয়েছে । কোন তিন মাসে আমাদের খুব কম বিল আসে আবার কোন তিন মাসে আমাদের প্রচুর বিল আসে । মিটার পরিবর্তনের জন্য বিদ্যুৎ দপ্তরকে বহুবার লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে । কিন্তু আজ পর্যন্ত কোন সুরাহা হলো না । অথচ আজ চোখে পড়ল এক অদ্ভুত কাণ্ড । মেইন সুইচ নামানোর পরে জ্বলে রয়েছে ইলেকট্রিক মিটারের লাল বাতিটি । আনুমানিক 45 মিনিটের বেশি সময় ধরে চলেছিল লাল বাতিটি ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *