গ্রামবাসীদের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার প্রতিবাদে বিক্ষোভে সামিল হলেন গ্রামবাসীরা।

নদীয়া দিগনগর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- গ্রামবাসীদের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার প্রতিবাদে বিক্ষোভে সামিল হলেন গ্রামবাসীরা। অভিযোগ গত শুক্রবার রেলের তরফ থেকেই নোটিশ জারি করা হয়। জানা যায় শান্তিপুর কৃষ্ণনগর রেল লাইনের পার্শ্ববর্তী গ্রাম গুলির তিনটি রাস্তা রয়েছে। তিনটি রাস্তার মধ্যে একটি রাস্তাতেই রেলগেট রয়েছে বাকি দুটো তে রেলগেট নেই। আর সেই রেলগেট না থাকার কারণেই দুটি রাস্তা বন্ধ করার নোটিশ জারি করে পূর্ব রেলওয়ে। দীর্ঘদিন ধরেই এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে কয়েক হাজার পরিবার। তাদের অভিযোগ, বিকল্প কোন ব্যবস্থা না করেই রেলের এই সিদ্ধান্ত তারা মেনে নিতে পারছেন না তাই তারা আজ বিক্ষোভে সামিল হলেন। দীর্ঘক্ষন ধরে এই রাস্তা অবরোধ করে তারা বিক্ষোভ দেখালেন। যদিও আজ পূর্ব রেলের তরফ থেকে আধিকারিকরা সেখানে পরিদর্শন করতে আসে। আধিকারিকদের কে ঘিরেই বিক্ষোভ শুরু করেন গ্রামবাসীরা। তাদের দাবি বিকল্প ব্যবস্থা না করলে তারা রাস্তা বন্ধ করতে দেবেনা। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি কৃষিকার্য থেকে শুরু করে যাবতীয় কাজকর্মের ক্ষেত্রে এই রাস্তা গুলো তাদের প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম।যদি রেল কর্তৃপক্ষ এই রাস্তা গুলো বন্ধ করে দেয় তাহলে বড় সমস্যায় পড়বেন কয়েক হাজার পরিবার। তাদেরকে সর্বনিম্ন প্রায় ১২ থেকে ১৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেই কাজ মিটাতে হবে। এক্ষেত্রে তারা বড় সমস্যার সম্মুখীন হবেন বলেও জানালেন। যদিও তাদের দাবি অবিলম্বে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে তারা কখনই রাস্তা বন্ধ করতে দেবেন না। এই দাবি নিয়ে তারা দীর্ঘক্ষন ধরেই পূর্ব রেলের আধিকারিকদেরকে ঘিরে বিক্ষোভ শুরু করেন। যদিও ঘটনাস্থলে আসে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার পুলিশ। রেল আধিকারিকদের তরফ থেকে জানিয়েছেন রেলের প্রথম লক্ষ্য সুরক্ষার দিক দেখা।তাই গ্রাম থেকে যেসব পাসিং রুটগুলো রয়েছে রেললাইনের উপর দিয়ে সেগুলোতে কোন রেলগেট নেই, তাই যে রাস্তাগুলোতে রেলগেট নেই মানুষের সুরক্ষার জন্য সেই রাস্তাগুলোর বন্ধের জন্যই তারা এসেছেন। তিনি আরো জানান, গ্রামবাসীদের সমস্যার বিষয়টি তারা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন তারা যা ব্যবস্থা নেবার তারাই নেবেন বলেও জানিয়েছেন। এখন দেখার কি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন রেল কর্তৃপক্ষ সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন কমপক্ষে হাজার হাজার পরিবার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *