গাছ কাটার প্রতিবাদ করায় গৃহবধুকে মারধর,জখম ৩।

0
256

সুভাষ চন্দ্র দাশ,ক্যানিং – খীরিচ গাছের শাখা-প্রশাখা কাটা কে কেন্দ্র করে দুই পরিবারে মারামারিতে জখম হলেন একই পরিবার এক গৃহবধু সহ মোট তিনজন। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার রাতে বাসন্তী থানার অন্তর্গত ভরতগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের ১২ নম্বর গরাণবোস হালদারপাড়া গ্রামে।রাতের অন্ধকারে এমন ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছে সাহাবুদ্দিন কাজি ও তাঁর ছেলে আবুকালাম কাজি ও ছেলের স্ত্রী আকলিমা কাজি। ঘটনার বিষয়ে বাসন্তী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন কাজি পরিবারের সদস্যরা। তদন্ত শুরু করেছে বাসন্তী থানার পুলিশ।
স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে সাহাবুদ্দিনের একটি খীরিচ গাছের শাখা আমিন শেখের ঘরের ওপর রয়েছে।গাছের সেই শাখা-প্রশাখা নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে গোলমাল শুরু হয়।খীরিচ গাছের শাখা কেটে নেওয়ার জন্য কাজি পরিবার কে জানায়।কাজি পরিবারের দাবী গাছের শাখা-প্রশাখা রাস্তার ওপর রয়েছে। কাউকে ক্ষতি করছে না ফলে কাটা যাবে না। প্রয়োজনে লোকজন ডেকে দেখানো হোক। যদি ক্ষতি হয় তবে গাছের শাখাপ্রশাখা কাটা যাবে।অভিযোগ শনিবার রাতে আচমকা দা দিয়ে গাছের শাখাপ্রশাখা কেটে ফেলে আমিন সেখ, আসুরা শেখ, জাকির শেখ ,কপূরা শেখ,জলিল কাজি’রা। কেন গাছের শাখা প্রশাখা কাটা হল প্রতিবাদ করেন সাহাবুদ্দিন কাজি ও তার পরিবারের লোকজন। অভিযোগ আচমকা আমিন,জাকির,জলিল সহ জনা কুড়ি লোকজন ধারালো দা,লাঠি এবং রাস্তা পড়ে থাকা ইট দিয়ে সাহাবুদ্দিন কে আক্রমণ করে বেধড়ক মারধর করে তার মাথা ফাটিয়ে দেয়। রক্তাক্ত অবস্থায় চিৎকার করলে মারধরের হাত থেকে তাঁকে উদ্ধার করার জন্য এগিয়ে যায় আবুকালাম। অভিযোগ তাঁকে ও বেধড়ক মারধর করা হয়। এমনকি বাড়িতে চড়াও হয়ে তার স্ত্রী আকলিমা কে ও বেধড়ক মারধর করা হয়।স্থানীয়রা জখমদের কে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য রাতেই স্থানীয় একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যায়। সেখানে আকলিমার অবস্থা সংঙ্কটজনক হলে রাতেই তাঁকে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন চিকিৎসকরা। বর্তমানে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই গৃহবধু। তার মাথার সিটিস্ক্যান হয়েছে।