সুভাষ চন্দ্র দাশ,ক্যানিং – ক্যানিং এর সভাকে জনসভায় রূপান্তরিত করতে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আনা হয়েছিল দলীয় কর্মীদের। গাড়ি করে ডায়মন্ড হারবার, মথুরাপুর, সোনারপুর, বারুইপুর, মগরাহাট, গোসাবা ও বাসন্তীর বিভিন্ন জায়গা থেকে এসেছিলেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। কিন্তু সেই সভার যা জনসমাগম হয়েছে তা দেখে যথেষ্টই হতাশ দলের কর্মী সমর্থকরা। আর তাই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য দেওয়ার আগেই চলে গেলেন বহু মানুষ। বিধানসভা ভোটের পর এই প্রথম রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সভা করলেন ক্যানিং মহকুমায় এলাকায়।
শুক্রবার ক্যানিং থানার হাসপাতাল মোড় থেকে একটি মিছিল করেন শুভেন্দু অধিকারী। মিছিলের নাম দেওয়া হয় গণতন্ত্র বাঁচাও মহা মিছিল। সেই মিছিলে শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেত্রী প্রিয়াঙ্কা ট্রিব্রেয়াল,শর্বরী মুখার্জী,উৎপল নস্কর,বিকাশ সরদার ও দলের বিভিন্ন সাংগঠনিক পদের কার্যকর্তারা। বহু পুরনো কর্মীদের কে এ দিন এই মিছিলে দেখা যায়নি। যা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিজেপির অন্দরে। দলের বেশ কিছু পুরানো কার্যকর্তারা এদিন না আসায় তাদের কর্মী সমর্থকরাও আসেননি। বারুইপুর জেলার প্রাক্তন সভাপতি সুনিপ দাস ও তার সমর্থকদের এ দিন উপস্থিতি ছিলেন না। মিছিল হাসপাতাল মোড় থেকে শুরু হয়ে শেষ হয় ক্যানিং ব্রিজের অটো স্ট্যান্ড এর কাছে। সেখানে বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু অধিকারী। বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন ২ রা মে পর যা হয়েছিল তা আর হবে না। আমরা আপনাদের পাশে আছি। আপনার আবার নতুন করে সংঘবদ্ধ হয়ে মাঠে নামুন। জোট বাঁধুন। তৈরি হন। ভয় মুক্ত বাংলা তৈরি করব।
শুভেন্দুর মিটিংয়ে তেমন কর্মী-সমর্থক না হওয়ার প্রসঙ্গে জেলার এক বিজেপি নেতা বলেন, আমাদের অধিকাংশ কর্মীদেরকে জানানো হয়নি। তাই বহু মানুষ যারা বিজেপিকে ভালোবাসেন তারা উপস্থিত হননি। শুধু তাই নয় জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কর্মীদের আনা হয়েছে। স্থানীয় কেউই এই মিছিল অংশগ্রহণ করেনি।
অন্যদিকে এদিন পথ সভার মঞ্চ থেকে শুভেন্দু অধিকারী একে পর এক ঘটনা প্রসঙ্গে রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধায় ও ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা কে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন আমরা গ্রামের মানুষ। যে ভাবে রাজনীতি করি কলকাতার গুটি কয়েক নেতা ছড়ি ঘোরাবেন সেটা হতে দেবো না। আমরাই স্বচ্ছ দুর্নীতি মুক্ত বাংলা গড়বো। হবে কর্ম সংস্থান,মানুষ মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারবে।












Leave a Reply